‘ম্যারাডোনা নন, মেসিই সেরা!’

ডিয়েগো ম্যারাডোনা নাকি লিওনেল মেসি? এ দোটানায় আর্জেন্টাইন সমর্থক মাত্রেরই পড়তে হয়। ক্রিকেট বিষয়ক গণমাধ্যম ক্রিকবাজের মুখোমুখি হয়ে এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিলো সাকিব আল হাসানকেও। সাকিব কোনোপ্রকার কূটনীতির আশ্রয় না নিয়েই জানালেন, লিওনেল মেসিই তার চোখে সেরা।

আর্জেন্টিনাকে এক বিশ্বকাপে জিতিয়ে পরেরটায় নিয়ে গিয়েছিলেন খুব কাছাকাছি, ম্যারাডোনা তাই আর্জেন্টাইন সমর্থক মাত্রেই নতশির শ্রদ্ধা পান। লিওনেল মেসির ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঠিক ততোটা উদার নয়। দলকে টানা তিন শিরোপার কাছাকাছি নিয়ে গিয়েও জেতাতে পারেননি।

সম্মানের চেয়ে বেশি গঞ্জনাই সইতে হয় আর্জেন্টাইন তারকাকে। তবে ক্লাব আর জাতীয় দলের হয়ে ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে খুব কমই ছেদ পড়েছে মেসির। তাইতো শেষ এক যুগে জিতেছেন ছয়টি ব্যালন ডি’অর আর ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার।

সাকিবের চোখে মেসি সেরা, একটা বড় সময় ধরে নিজের মান ধরে রেখে খেলাই এর কারণ। সাকিবের ভাষ্য, ‘ম্যারাডোনাকে তার সময়ে খেলতে দেখিনি।  ভিন্ন মাধ্যমে দেখা সম্ভব। তবে আমি বুঝেছি, মেসি প্রতিদিনই একই রকমের ক্ষিপ্রতা নিয়ে খেলতে পারে। আমার মনে হয়না সেটা ম্যারাডোনার দ্বারা সম্ভব হতো।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link