‘ইংলিস উইলো’ দেখাল কামাল

নিয়ন্ত্রণের সাথে দারুণ আগ্রাসনের প্রতিরুপ হয়ে রইল ইংলিসের ৭২ রানের ইনিংসটি। আস্থার প্রতিদান অবশেষে দিলেন তিনি। 

একটু ধুকতে থাকা জশ ইংলিসও ফিরে পেলেন নিজেকে। পাঞ্জাব কিংসের হয়ে মাঠে তিনি দেখালেন ব্যাট হাতে নিজের সামর্থ্য। নিয়ন্ত্রণের সাথে দারুণ আগ্রাসনের প্রতিরুপ হয়ে রইল ইংলিসের ৭২ রানের ইনিংসটি। আস্থার প্রতিদান অবশেষে দিলেন তিনি।

এদিন ব্যাটিং অর্ডারে খানিকটা প্রমোশন পেয়েছেন জশ ইংলিস। চার কিংবা তার নিচে নয়, তাকে ব্যাট করতে পাঠানো হয় তিন নম্বরে। সেখানে নেমেই তিনি তরুণ মারকুটে ব্যাটার প্রিয়ানশের সাথে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে থাকেন। একটা পর্যায়ে কে আগে হাফ সেঞ্চুরি করবে, তেমন এক স্বাস্থ্যকর দ্বৈরথ হয়েছে এই দুই ব্যাটারের মাঝে।

এদফা ইংলিস আগে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও, বল বিবেচনায় প্রিয়ানশ ছিলেন দ্রুততম। একটু উপরের দিকে সুযোগ পেয়ে, সেটিকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়েছেন অজি এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ১৭৪ স্ট্রাইকরেটে ৭২ রান তুলতে খরচ করেছেন ৪৮ বল।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্ম সম্পাদন করেছেন তিনি প্রিয়ানশ আরিয়ার সাথে জুটি বেঁধে। পাঞ্জাব কিংসকে বেশ সহজ একটা জয়ের ভীত গড়ে দিয়েছে সেই জুটি। ৫৯ বলে ১০৯ রানের পার্টনারশীপটাই ম্যাচের ভাগ্য পাঞ্জাবের পক্ষে করে দিয়েছে। সেই জুটিতে ৩৪ বলে ৬১ রান যুক্ত করেছেন ইংলিস।

তাতে করে শেষ অবধি নয় বল ও সাত উইকেট বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় পাঞ্জাব কিংস। ফলশ্রুতিতে টেবিলের শীর্ষস্থান দখলে দিয়েছে ইংলিসের দল। এমনকি বিচ্যুতি ঘটলেও শীর্ষ দুইয়ের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই এখন আর। এবারের আইপিএলে নিজের প্রথম ফিফটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ এক ম্যাচে এসেছে ইংলিসের ব্যাট থেকে।

তাছাড়া পাঞ্জাবের টপ থ্রি- প্রিয়ানশ, প্রভসিমরান সিং ও শ্রেয়াস আইয়ার বাদে আরেকজন দায়িত্বশীল ইনিংস খেলায় গোটা দলই যেন পেয়েছে স্বস্তি। কেননা নকআউট পর্বে তো ঘটে যেতে পারে যেকোন কিছুই, তখন হাল ধরার জন্যে ইংলিসের উপর করা যাবে ভরসা। সেটুকু তিনি আদায় করে নিয়েছেন।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link