অভিষেকের ‘ফ্লাইং স্টার্ট’, ঝুঁকিহীন মিডল অর্ডার

অভিষেক শর্মার ব্যাটিং প্রতিপক্ষের জন্যে ভীষণ অস্বস্তির কারণ। তবে ইনিংসের শুরুতে অভিষেকের ধুন্ধুমার ব্যাটিং ভারতের মিডল অর্ডারকে নির্ভার করে।

অভিষেক শর্মা ভারতকে দেন স্বস্তি। যদিও তার ব্যাটিং প্রতিপক্ষের জন্যে ভীষণ অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে ইনিংসের শুরুতে অভিষেকের ধুন্ধুমার ব্যাটিং ভারতের মিডল অর্ডারকে নির্ভার করে।

ম্যাচ জয় নিয়ে খুব একটা দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় না সুরিয়াকুমার যাদব কিংবা তিলক ভার্মাদের। তারা স্রেফ বলের মেরিট বুঝে ব্যাট চালানোর স্বাচ্ছন্দ্য পান। কোন প্রকার ঝুঁকি নেওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না তখন।

এই যেমন পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক শর্মা নামলেন ওপেনিংয়ে। শাহীন শাহ আফ্রিদিকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শুরু করেন তার স্বল্প দৈর্ঘ্যের ব্যাটিং তাণ্ডব। স্রেফ ১৩ বলে তার নামের পাশে যুক্ত হয়ে যায় ৩১ রান।

১২৮ রানের লক্ষ্যমাত্রায় ভারতকে এরপরে আর বিন্দুমাত্র বেগ পোহাতে হয়নি। হেসেখেলে জিতেছে ভারত। হাতে ছিল সাত উইকেট ও ২৫টি বল। তিনি ঠিক কতটা স্বস্তি প্রদান করেন তার উদাহরণ হতে পারে তিলক ভার্মার ইনিংসটি। ৩১ বলে ৩১ রান করেছেন বা-হতি এই ব্যাটার।

অন্যদিকে শেষের দিকে ব্যাট চালিয়ে ৩৭ বলে ৪৭ রান করতে পারেন অধিনায়ক। পাওয়ার প্লে-তে অভিষেকের সেই মারকুটে ব্যাটিংই সুরিয়া-তিলকদের ঝুঁকি এড়ানোর সুযোগ করে দেয়।

মারকাটারি ব্যাটিংয়ের জন্যেই তো প্রসিদ্ধ অভিষেক শর্মা। তিনি খুব বড় ইনিংস প্রতিদিন খেলেন না। তার কাছে দলের সেই চাহিদাও থাকে না। দল তার কাছ থেকে চায় ওই ‘ফ্লাইং স্টার্ট’। এখন পর্যন্ত তিনি দলকে নিরাশ করেছে খুব কম।

ক্রিকেট যে দলগত খেলা, প্রত্যেকের নির্ধারিত দায়িত্বই জয়ের জন্যে যথেষ্ট- এই বাক্যের যথার্থতা যেন ভারত দল প্রকাশ করে যাচ্ছে প্রতিটি মুহূর্তে। অভিষেক শর্মা নিজের রোলটা ভালই রপ্ত করেছেন। নিজের দায়িত্বটাও মস্তিষ্কে গেঁথে নিয়েছেন।

সে কারণেই তো আউট হয়েও ডাগআউটে বসে নিশ্চিন্তে আড্ডায় মেতে উঠতে পারেন অভিষেক। যতদিন তিনি ভারতের ইনিংস উদ্বোধনের দায়িত্ব আছেন, ততদিন অন্তত মিডল অর্ডারে দুশ্চিন্তা ছড়ানোর কোন উপায় নেই।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link