আমেরিকার দাপুটে জয়, টানা দুই ম্যাচে জিতে নকআউট নিশ্চিত

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ডি থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে অস্ট্রেলিয়াকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই জয়ের ফলে দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ডি থেকে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা।

শুরু থেকেই ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ছিল যুক্তরাষ্ট্রের। বল দখলে তারা এগিয়ে ছিল ৫৬ শতাংশে, বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার দখলে ছিল ৩৩ শতাংশ। আক্রমণেও স্বাগতিকরা বেশি ধারালো ছিল, মোট ১০টি শটের মধ্যে ২টি ছিল অন টার্গেটে, যেখানে অস্ট্রেলিয়ার ছিল ৫টি শট।

ম্যাচের ১১তম মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ৪৩তম মিনিটে অ্যালেক্স ফ্রিম্যানের গোল ভিএআর রিভিউয়ের পর বৈধ ঘোষণা হলে প্রথমার্ধে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা।

ডিসিপ্লিনের দিক থেকে ম্যাচ ছিল বেশ ফাউলপ্রবণ। যুক্তরাষ্ট্র ৩টি হলুদ কার্ড দেখে, আর অস্ট্রেলিয়া দেখে ৪টি হলুদ কার্ড। ফাউলেও অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে ছিল, ১৬টি ফাউলের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের ছিল ১২টি।

দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা চাপ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানেই জয় নিশ্চিত করে যুক্তরাষ্ট্র, আর টানা দুই ম্যাচ জিতে নকআউট পর্বে জায়গা পাকা করে নেয় তারা।

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link