নারীদের আরও এক লজ্জার হার!

মাত্র ৪৯ রানেই গুটিয়ে গেল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ম্যাচ হারল আট উইকেটের বড় ব্যবধানে। অনূর্ধ্ব-১৫ ছেলেদের সাথে খেলতে নেমে রীতিমত বেহাল দশা তাঁদের। সেই সাথে আত্মবিশ্বাসও ঠেকেছে একদম তলানিতে।

মাত্র ৪৯ রানেই গুটিয়ে গেল নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। ম্যাচ হারল আট উইকেটের বড় ব্যবধানে। অনূর্ধ্ব-১৫ ছেলেদের সাথে খেলতে নেমে রীতিমত বেহাল দশা তাঁদের। সেই সাথে আত্মবিশ্বাসও ঠেকেছে একদম তলানিতে।

চতুর্থ ওয়ানডেতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে উইমেনস রেড মাত্র ৪ রানেই প্রথম উইকেট হারিয়ে বসে। তবে বিপর্যয়টা সামাল দিতে থাকেন সুলতানা এবং তানজিম। ২৭ রানের জুটিও গড়ে ওঠে তাঁদের ব্যাটে।

তবে বিপত্তি বাধে ৩১ রানের মাথায়। ওখানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে উইমেনস রেড। এরপরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে ব্যাটিং অর্ডার, ৪৯ রানেই শেষ হয়ে যায় ইনিংস। ৩১ থেকে ৪৯ মাত্র ১৮ রান করতে জ্যোতিরা উইকেট হারায় ৯টি।

আদিব-অমিতদের বল যেন এক গোলকধাঁধা। যা বুঝতে না পেরে পুরো দল মাত্র ২০.৪ ওভারই টিকেছে। কেউ দাঁড়াতেই পারেনি ক্রিজে। সুলতানার একার করা ২২ রানই হয়ে থাকলো দলের সর্বোচ্চ স্কোর। ৪৯ রানের এক লজ্জার ব্যাটিং প্রদর্শনী।

৫০ রানের টার্গেট অনায়াসে পার করে ফেলে অনূর্ধ্ব-১৫-এর ছেলেরা। মাত্র ১১.৫ ওভারেই আট উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ নিজেদের করে নেয় তাঁরা। দিনশেষে আরও এক লজ্জার হার সঙ্গী হলো নারী দলের।

নানা সমালোচনায় শুরু হওয়া চ্যালেঞ্জ কাপ ছিল বাংলাদেশের নারী দলের বিশ্বকাপ প্রস্তুতির মঞ্চ। যেখানে আত্মবিশ্বাস বাড়ানো ছিল মূল লক্ষ্য। তবে গোটা দল যেন একেবারেই নাজেহাল হলো।

ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং—সব দিকেই দুর্বলতার চিত্র। যেভাবে ব্যাট করেছে তা একপ্রকার দৃষ্টিকটূই বটে। অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ দলের এই হাল নিশ্চয় মেনে নেওয়ার মতো না।

তাই তো বিশ্বকাপ প্রস্তুতির বদলে বাড়তি চাপ সঙ্গী হচ্ছে জ্যোতি, রিতু, ফাহিমাদের। যেন নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটাই ভুলে গেছে তাঁরা। মানসিকভাবেও বেশ পিছিয়ে পড়েছে সবাই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link