রূপকথার প্রত্যাবর্তন ঘটাল আর্জেন্টিনা!

এভাবেও ফিরে আসা যায়? প্রত্যাবর্তনের সর্বোচ্চ সংজ্ঞাটা এভাবেও লেখা যায়? এ যে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ কামব্যাকটা দিল আর্জেন্টিনা। শেষবার যখন গোল হজম করে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরেছিল, সেটা ২০০৬ সালে। মাঝের সময় গড়িয়েছে ২০ বছর।

এভাবেও ফিরে আসা যায়? প্রত্যাবর্তনের সর্বোচ্চ সংজ্ঞাটা এভাবেও লেখা যায়? এ যে স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ কামব্যাকটা দিল আর্জেন্টিনা। শেষবার যখন গোল হজম করে আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরেছিল, সেটা ২০০৬ সালে। মাঝের সময় গড়িয়েছে ২০ বছর। শুধু তাই নয়, দুই গোল পিছিয়ে থেকে কখনও কামব্যাক করেনি। অতঃপর আবারও এক ইতিহাস লিখল আর্জেন্টিনা। ভবিতব্য যখন হারতে বসা, ভাগ্য যখন ফিরিয়ে নিয়েছে মুখ, তখনই ঘুরে দাঁড়ানোর উপাখ্যান লিখল তারা। যার কারিগর আর কেউ না। স্বয়ং লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।

১৪ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল দিয়ে বসে মিশর। কিছু বুঝে ওঠার আগেই অজানা কোনো আশঙ্কা ভিড় করে আসে আর্জেন্টিনার আকাশে। তবুও সান্ত্বনা ছিল, সময় তো আছে। ফিরে আসা যাবে যেকোনো সময়।

বিরতি এলো, ফিরে এসে মরিয়া হয়ে উঠল মেসিরা। তবে সেসবের ফাঁক গোলে গোল আদায় করল মিশর। ম্যাচের বয়স তখন ৬৭ মিনিট। সবাই ধরেই নিল, সব শেষ। হাতে থাকা ২২ মিনিটের কি আর ক্ষমতা আছে, আর্জেন্টিনাকে বাঁচাতে পারবে?

তবে সময়ের সেই ক্ষমতা না থাকলেও একজনের আছে। তিনি লিওনেল মেসি। ৭৯ মিনিটের মাথায় নিখুঁত হিসাব কষে বল ভাসিয়ে দিলেন রোমেরোকে লক্ষ্য করে। এর চেয়ে নিখুঁত আর কিছু হয় নাকি? রোমেরো ভুল করলেন না। প্রাণের সঞ্চার ঘটল আর্জেন্টিনা শিবিরে।

তবে ওটাই শুরু। ঠিক চার মিনিট বাদে এবার পরোক্ষ নয়, প্রত্যক্ষ ভূমিকায় হাজির হলেন জাদুকর। তাঁর পা থেকে এলো স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখা গোলটা।

এরপর আর আর্জেন্টিনা চাইল না ম্যাচের সময় বাড়াতে। যোগ করা সময়ের দুই মিনিটের মাথায় লাউতারো মার্তিনেজের দুর্দান্ত ক্রস থেকে এলো আরও এক দুর্দান্ত গোল। মাথা ছোঁয়ালেন এনজো ফার্নান্দেজ। ওটাই ইতিহাস হয়ে থাকল। যা কখনও আর্জেন্টিনা করেনি, সেটাই করে দেখাল।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link