আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ ছেড়ে জয় শাহ এসিসি প্রধান

গুঞ্জন ছিল, আইসিসির চেয়ারম্যান পদে অধিষ্ঠিত হতে ছাড়তে পারেন এসিসি সভাপতির পদ। তবে সব গুঞ্জন উড়িয়ে আবারও এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) সচিব জয় শাহ। এ নিয়ে টানা তৃতীয় বারের মতো এই পদে নির্বাচিত হলেন তিনি।

বুধবার ইন্দোনেশিয়ার বালিতে এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় এসিসি’র সভাপতি হিসেবে জয় শাহর নাম প্রস্তাব করেন শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি শাম্মি সিলভা। সেই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে তৃতীয়বারের মতো সভাপতি পদে নির্বাচিত হন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের পুত্র জয় শাহ।

২০২১ সালে সর্বপ্রথম এশিয়ান ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার সর্বোচ্চ পদে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর আগে এই পদে ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। যদিও পাপনের পর এই সভাপতি পদে আসার কথা ছিল তৎকালীন বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলির। তবে শেষ পর্যন্ত সেই দায়িত্ব দেওয়া হয় বিসিসিআই সচিব জয় শাহর কাঁধে।

এ দিকে কদিন ধরেই গুঞ্জন উঠেছিল, আইসিসির চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন তিনি। আর সে কারণে এসিসির সভাপতিত্বও ছেড়ে দিতে রাজি ছিলেন। কেননা আগামী নভেম্বরেই আইসিসির বর্তমান চেয়ারম্যান গ্রেগ বার্কলের মেয়াদকাল শেষ হবে। তবে আইসিসি নিয়ে এ জল্পনার মাঝেই ২ বছরের জন্য আবারো এসিসির সভাপতি নির্বাচিত হলেন জয় শাহ।

অর্থাৎ চাইলেই আইসিসির পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে পারছেন না তিনি। সে ক্ষেত্রে গ্রেগ বার্কলের জায়গায় কে আসতে পারেন সেটিই এখন নতুন আলোচনার বিষয়। ধারণা করা হচ্ছে, আইসিসির এ পদে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে বিসিসিআই।

সে ক্ষেত্রে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকেই এ আসনে বসতে পারেন কেউ। সে ক্ষেত্রে বর্তমান সভাপতি রজার বিনির নামটাই বারবার ঘুরে ফিরে আসছে। এখান দেখার পালা, চলতি বছরের শেষ দিকে আইসিসির চেয়ারম্যান পদে কে আসিত হন।

লেখক পরিচিতি

বাইশ গজ ব্যাসার্ধ নিয়ে একটি বৃত্ত অঙ্কন করার চেষ্টা করি...

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link