‘বাউন্ডারি মারলে সমস্যা নেই, তোমার যেখানে ফিল্ডিং লাগে আমাকে বলবে, যেটা মন চায় করবে।’ এরকম ফ্রি লাইসেন্স আর ভরসার হাত কাঁধে থাকলে যেকোন বোলারের জন্যই কাজটা সহজ হয়ে যায়। শরিফুল ইসলামের ক্ষেত্রেও সেটাই হয়েছে। পেশোয়ার জালমির অধিনায়ক বাবর আজমের ভরসার বাণী যে শরিফুল পেয়েছেন।
পাকিস্তান সুপার লিগের(পিএসএল) মঞ্চে অভিষেক, ক্যাপটাও স্বয়ং বাবরের হাত থেকে মাথায় উঠল। মনের ভিতরের উচ্ছ্বাসটা কেমন সেটা শরিফুলই হয়তো ভালো জানেন।

নতুন বলে কাপ্তান বাবর ভরসা রাখলেন শরিফুলের উপরই। বিশ্বাসের প্রতিদান দিতেও তিনি ভুল করেননি। পাওয়ার প্লের মধ্যেই তিন ওভার হাত ঘুরিয়ে খরচা করেছেন মোটে ২০ রান। বাকীরা যেখানে খরুচে ছিলেন শরিফুল সেখানে ব্যাটারদের ভয় ধরিয়েছেন। শেষমেষ চার ওভারে ৩১ রান দিয়ে উইকেটশূণ্য থাকলেও দিনটা একেবারেই খারাপ যায়নি তাঁর। দলও জয় পেয়েছে।
ম্যাচ শেষে তাই আত্মতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলেছেন শরিফুল। টি-স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বাবরের ভূয়সী প্রশংসা করতেও ভুল করেননি। বাবরের নেতৃত্ব খেলার অভিজ্ঞতা প্রকাশের এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘প্রথম ওভারে বল করছিলাম, উনি বলেছে শুধু তুমি গুড লেন্থে বল করো। বাউন্ডারি মারলেও সমস্যা নেই। পরে বলেছে তোমার যে ফিল্ডিং লাগে আমাকে বলবা। যা করতে মন চাচ্ছে আমাকে বলবা।’

অধিনায়কের কাছ থেমে এমন ভরসাবাণী পেয়ে কাজে লাগাতে ভুল করেননি শরিফুল। মাঠ ছোট, ব্যাটিং উইকেট এমন সব বিরূপ পরিবেশের মাঝেও নিজের জাত চিনিয়েছেন, নতুন বলে ব্যাটারদের লাগাম টেনে ধরেছেন। দিনশেষে প্রাপ্তির খাতায় উইকেট না জুটলেও দিনটা শরিফুল রাঙিয়েছেন। এর পেছনে বাবরের অবদানটাও কম নয়।











