বাবর এখন দলের বোঝা!

টি-টোয়েন্টিটা বাবর আজমের জন্য নয়। এই ফরম্যাটে তিনি মানিয়ে নিতে পারছেন না। ব্যর্থতার শেকলে বন্দি বাবরকে নিয়ে তীক্ত বাস্তবতার কথা বলেছেন শোয়েব আখতার। এই ফরম্যাটে বাবর ভরসা নয় যেন দলের জন্য বাড়তি এক বোঝা হয়েই আছেন। বিশ্বকাপের মঞ্চটাই তাঁর বাস্তব প্রমাণ।

টি-টোয়েন্টিটা বাবর আজমের জন্য নয়। এই ফরম্যাটে তিনি মানিয়ে নিতে পারছেন না। ব্যর্থতার শেকলে বন্দি বাবরকে নিয়ে তীক্ত বাস্তবতার কথা বলেছেন শোয়েব আখতার। এই ফরম্যাটে বাবর ভরসা নয় যেন দলের জন্য বাড়তি এক বোঝা হয়েই আছেন। বিশ্বকাপের মঞ্চটাই তাঁর বাস্তব প্রমাণ।

বিশ্বকাপে পাঁচ ম্যাচ মিলিয়ে বাবরের রান ৬৬, ব্যাটিং গড় ২২ আর স্ট্রাইক রেট ১১৫। বাবর ক্রিজে নামলেই যেন প্রতিপক্ষ বোলারদের কাজটা সহজ হয়ে যায়। দলের রানের চাকা হঠাৎ মন্থর হতে বাধ্য হয়। ফলাফল বাকীদের উপর চাপ বাড়ে, দল পড়ে যায় বিপাকে।

পাকিস্তানের সাবেক পেসার শোয়েব আখতার তাই বিরক্ত হয়েই বলেছেন, ‘বাবরকে নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে, এই ফরম্যাট তার জন্য কি না। যদি খেলতে চান, ম্যানেজমেন্টকে নিশ্চিত করতে হবে, তিনি প্রথম ছয় ওভারে ব্যাট করবেন। অন্যথায় এই দলে তার জায়গা নেই।’

সাম্প্রতিক সময়ে বাবরকে দেওয়া হয়েছে চার নম্বরের গুরুদায়িত্ব। পাওয়ার প্লেতে ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণেই তাঁকে চারে নামানো হয়েছে। খোদ পাকিস্তান কোচ মাইক হেসনই জানিয়েছেন এমনটা।

তবে সাবেক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি বাবর চার নম্বরে খেলতে পারছেন না। তিনি বলেন, আমি মাইক হেসনের কথা বুঝতে পারিনি। বাবর এমন ব্যাটসম্যান নয় যে পাওয়ারপ্লে থেকে সুবিধা নিতে পারে বা ১০ ওভার পরে বড় শট খেলতে পারে। আমি ১৫ বার শুনেছি, কিন্তু বুঝতে পারিনি। যদি এমন হয়, তাহলে বাবর কেন খেলছেন?

ওপেনার থেকে চার নম্বরে নামতে হয়েছে, তাতেও সাফল্যের দেখা পাননি বাবর। এমনকি নামিবিয়ার বিপক্ষে তাঁকে ব্যাটিংয়েই পাঠানো হয়নি। পাকিস্তান যে তাঁকে বোঝা হিসেবেই টানছে, তা স্পষ্ট। এমন পরিস্থিতি একটাই বার্তা দেয়, বিশ্বকাপ শেষে ৩১ বছর বয়সী বাবরের উপসংহারের শেষ লাইন লেখা হয়ে যেতে পারে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link