সমীকরণের মুখে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ডের সেমিফাইনাল

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে লড়াই হওয়ার কথা ছিল ব্যাট-বলের। কিন্তু প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে ২২ গজের লড়াই ছাপিয়ে জয়ী হলো বৃষ্টি। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত সুপার এইটের প্রথম ম্যাচটি একটি বলও মাঠে না গড়িয়ে পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছে। ফলে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের যাত্রাটা যেন আরও কঠিনতর হল দুই দলের জন্যেই।

কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে  লড়াই হওয়ার কথা ছিল ব্যাট-বলের। কিন্তু প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে ২২ গজের লড়াই ছাপিয়ে জয়ী হলো বৃষ্টি। পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার বহুল প্রতীক্ষিত সুপার এইটের প্রথম ম্যাচটি একটি বলও মাঠে না গড়িয়ে পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছে। ফলে সেমিফাইনাল নিশ্চিতের যাত্রাটা যেন আরও কঠিনতর হল দুই দলের জন্যেই।

ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় দুই দলই ভাগ করে নিয়েছে মূল্যবান এক পয়েন্ট। তবে এই ভাগাভাগি যেন তাদের সেমিফাইনালের দৌড়কে করে তুলেছে আরও কণ্টকাকীর্ণ। সুপার এইট পর্বের শুরুতেই এমন পয়েন্ট হারানোয় দুই দলের জন্যই সমীকরণ এখন অনেকটা বাঁচা-মরার লড়াইয়ে রূপ নিয়েছে।

পাকিস্তানের পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ এখন শক্তিশালী ইংল্যান্ড ও স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা। যদি পকিস্তান তাদের পরবর্তী দুই ম্যাচেই জয়ের দেখা পায়, তবে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে সরাসরি সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করবে।

যদি কোন একটি ম্যাচেও পরাজয়ের স্বাদ বরণ করে, তখন তাদের চেয়ে থাকতে হবে অন্য দলগুলোর দিকে। আর বাকি দুইটা ম্যাচ হারলে তো কোন প্রকার যদি-কিন্তু ছাড়াই নাম কাটা পড়বে সালমান আঘার দলের। অর্থাৎ, কোন প্রকার সমীকরণের বেড়াজালে না জড়িয়ে সেমিফাইনাল যাত্রা নিশ্চিত করতে হলে আর একটি ম্যাচও হারা চলবে না বাবর-শাহীনদের।

​নিউজিল্যান্ডের অবস্থাও তথৈবচ। মিচেল স্যান্টনারের দলকেও এখন নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতে রাখতে হলে পরবর্তী ম্যাচগুলোতে জয়ের কোনো বিকল্প নেই। বৃষ্টির বদান্যতায় পাওয়া এই এক পয়েন্ট তাদের জন্য আশীর্বাদ না কি অভিশাপ, তা সময়ই বলে দেবে। তাদেরও পরবর্তী ম্যাচগুলো একই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

কলম্বোর এ বৃষ্টি হয়তো খেলার উত্তাপ ধুয়ে দিয়েছে, কিন্তু গ্রুপ পর্বের লড়াইকে করে তুলেছে আরও বেশি জটিল ও রোমাঞ্চকর। এই মেঘাচ্ছন্ন সমীকরণ ছাপিয়ে কোন দুই দল শেষ পর্যন্ত দৌড়ে টিকে থাকতে পারে, সেটা দেখার জন্যেই অপেক্ষার প্রহর গুনছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link