জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটেছে। মুস্তাফিজুর রহমানরা পাড়ি জমিয়েছেন পাকিস্তান সুপার লিগের মঞ্চে। মূলত নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে দুশ্চিন্তা ছিল বাংলাদেশের। তবে শেষমেষ তার অবসান ঘটেছে পাকিস্তানের আশ্বাসে। তাই তো সব বাধা পেরিয়ে পিএসএলে অংশ নিতে দেশ ছেড়েছেন ক্রিকেটাররা।
এনওসি পেলেও নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় কাটেনি। তাই তো শঙ্কা ছিল মুস্তাফিজ, রিশাদরা খেলতে পারবেন তো পিএসএল? তবে ইসলামাবাদে বাংলাদেশের দূতাবাস থেকে প্রাপ্ত আশ্বাস অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে যে, খেলোয়াড়দের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। এই সিদ্ধান্তের পরেই বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা পাকিস্তানে পিএসএল খেলতে রওনা হয়েছেন।

২৬ মার্চ শুরু হয়ে ৩ মে শেষ হওয়া এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মুস্তাফিজুর রহমান, পারভেজ হোসেন ইমন, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা, তানজিদ হাসান তামিম ও রিশাদ হোসেন। বিসিবি আগেই জানিয়েছে, ‘খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা ও কল্যাণ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাকিস্তান সুপার লিগে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় রাখা হয়েছে।’
পিএসএল ২০২৬ চলাকালীন সময়, চলমান পশ্চিম এশিয়ার সংকটের কারণে দর্শকবিহীনভাবে আয়োজন করা হবে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নকভি জানিয়েছেন, দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ সকলকে “জ্বালানী সংকটের কারণে চলাচল সীমিত করার” জন্য অনুরোধ করেছেন। এছাড়া টুর্নামেন্টের ভেন্যু সংখ্যা ছয় থেকে দুইতে সীমিত করা হয়েছে; সব ম্যাচ হবে লাহোর ও করাচিতে। এমনকি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও বাতিল করা হয়েছে।

বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা এখন নতুন ভেন্যু, নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন উত্তেজনার মুখোমুখি। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলবেন মুস্তাফিজ ও পারভেজ, পেশাওয়ার জালমির হয়ে মাঠে নামবেন শরিফুল, নাহিদ ও তানজিদ, আর রাওয়ালপিন্ডির হয়ে দেখা যাবে রিশাদকে।











