পর্যবেক্ষণে জন লুইস

আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ শুরু আগেই ব্যাটিং কোচ পাচ্ছে বাংলাদেশ। ১০ জানুয়ারি অনুশীলন শুরুর আগেই নতুন ব্যাটিং কোচ জন লুইস দলের সাথে যোগ দিবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান।

গত ২১ আগস্ট পারিবারিক কারণে বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন নেইল ম্যাকেঞ্জি। ম্যাকেঞ্জির বিদায়ের পর টাইগারদের ব্যাটিং পরামর্শক হিসাবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ক্রেগ ম্যাকমিলান। কিন্তু বাবার মৃত্যুতে তিনিও দায়িত্ব ছেড়ে চলে যান।

এরপর হেড কোচ রাসেল ডোমিঙ্গোর চাওয়া অনুযায়ী জন লুইসকে চূড়ান্ত করে বিসিবি। তবে জন লুইসকে দায়িত্ব দিলেও তার সাথে দীর্ঘ মেয়াদে চুক্তি করেনি বিসিবি। আপাদত দুই এক সিরিজ তাকে দেখার পর সিদ্বান্ত নেবে বোর্ড।

বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের প্রধান আকরাম খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘লুইস কাল পরশুর মধ্যে আসবে। সে এলে তার সাথে আমরা সামনা সামনি কথা বলব। এখন যে পরিস্থিতি, করোনার কারণে কেউ লম্বা সময়ের জন্য চুক্তিতে যাচ্ছে না। পরিস্থিতি কঠিন। তাকে আমরা সামনে থেকে দেখব দুই একটা সিরিজ। তারপর যদি ভালো হয়, তাহলে চেষ্টা করব তাকে রাখার।’

জন লুইসকে তার অভিজ্ঞতা দেখেই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আকরাম খান। তিনি বলেন, ‘আমাদের তিন চার জনের তালিকা ছিল। সেখান থেকে তাকে বেছে নেওয়া হয়েছে অভিজ্ঞতা ও কোথায় কোথায় কাজ করেছে, এসব দেখে। পরে আমরা কোচের সঙ্গেও আলাপ করি। কোচের মতামত নিয়ে, আমরা সবাই বসে একমত হওয়াতেই তাকে আমরা নিয়েছি।’

তবে সিরিজে ব্যাটিং কোচ পেলেও স্পিন বোলিং কোচ ড্যানিয়েল ভেট্টোরিকে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। নিউজিল্যান্ডের কঠোর নিয়মনীতির কারণেই আসা হচ্ছে না তাঁর। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দায়িত্ব পালন করবেন বিসিবির কোচ সোহেল ইসলাম।

এ প্রসঙ্গে আকরাম বলেন, ‘ভেট্টোরি আসতে চেয়েছিল। কিন্তু নিউজিল্যান্ড একটা নিয়ম করেছে, দেশের বাইরে থেকে যখন দেশে ঢুকবে, ওটা অনেক আগে জানিয়ে দিতে হবে। তারপর ওখানে অনেক দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। যে জায়গায় থাকতে হবে, ওই জায়গাটা অনেক লিমিটেড। ওখানে সিরিয়াল পাওয়া যায় না। যতদিন পাওয়া যাবে না, ততদিন এখানে অপেক্ষা করতে হবে। সিট নিশ্চিত হলে তারপর যেতে হবে।’

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, ‘এগুলা নিয়ে চিন্তাভাবনা করে দেখলাম যে, এটা অনেক কঠিন। টাকা পয়সারও ব্যাপার আছে, পাশাপাশি সময়ও অনেক বেশি নিচ্ছে। আমরা নিউজিল্যান্ড সফরে যখন যাব (মার্চে), তখন সে দলের সঙ্গে থাকবে। এই সিরিজে ভেট্টোরির পরিবর্তে কোচ সোহেলকে আমরা রাখছি।’

 

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link