টাইগার স্পিনারদের ভেল্কিতে আইরিশরা নাজেহাল

আরও এক ইনিংস ব্যবধানে জয় হাতছানি দিয়ে ডাকছে বাংলাদেশ দলকে। মিরপুরের ঘূর্ণি ফাঁদে আয়ারল্যান্ড রীতিমত হাবুডুবু খেয়েছে।

আরও এক ইনিংস ব্যবধানে জয় হাতছানি দিয়ে ডাকছে বাংলাদেশ দলকে। মিরপুরের ঘূর্ণি ফাঁদে আয়ারল্যান্ড রীতিমত হাবুডুবু খেয়েছে। মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে আছে বড় জয়ের দ্বারপ্রান্তে। দ্বিতীয় দিন শেষে অন্তত অবলীলায় বলে দেওয়া যায় তা। প্যাভিলিয়নে যে আয়ারল্যান্ডের অর্ধেক ব্যাটিং অর্ডার।

আগের দিন একটা আক্ষেপে শেষ হয়েছিল মিরপুর টেস্ট প্রথম দিন। মুশফিক অপরাজিত থেকেছিলেন ৯৯ রানে। তবে দ্বিতীয় দিনের সকালবেলা আর কোন আক্ষেপকে সঙ্গী হতে দিলেন না মুশফিক। ১১তম ব্যাটার হিসেবে শততম টেস্টে শতক হাঁকালেন বাংলাদেশের মিস্টার ডিপেন্ডেবল।

তার ও লিটন দাসের জুটিটা আরও খানিকটা লম্বা হবে বলেই ছিল সকলের ধারণা। ১০৮ রানের থামে সে জুটির দৈর্ঘ্য। ১০৬ রান নিজের নামের পাশে নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম। এরপর অবশ্য বাংলাদেশ পায় আরও একটি জুটি। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১২৩ রানের জুটিটি আসে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাট থেকে।

সে জুটি গড়ার পথে লিটন তুলে নেন নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। মধ্যাহ্ন বিরতির পর বাংলাদেশ দ্রুত রান তুলতে চাওয়ার মিশনে নামে। আর সেখানেই বরং থমকে যায় মিরাজের অর্ধশত রানের সম্ভাবনা। ৪৭ রানে মিরাজ ও ১২৮ রানে লিটন আউট হওয়ার পর, বাংলাদেশের অলআউট হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার।

এবাদত হোসেনের একটা মৃদু ঝড়, বাংলাদেশের সংগ্রহ বাড়িয়ে করেছে ৪৭৬। জবাবে ব্যাট করতে নেমে আয়ারল্যান্ডের টেস্ট মেজাজে অপরিপক্কতা আরও একবার স্পষ্ট হতে শুরু করে। খালেদ আহমেদ প্রথম আঘাত হানেন আইরিশ শিবিরে। লেগ বিফোরে পল স্টার্লিং প্যাভিলিয়নে। এরপরের গল্পে টাইগার স্পিনারদের আধিপত্য।

হাসান মুরাদ তুলে নেন দুইটি উইকেট। তাইজুল ইসলাম ও মিরাজের ঝুলিতে গিয়েছে একটি করে উইকেট। আয়ারল্যান্ডের কোন ব্যাটারই সেই অর্থে প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। তাতে করে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনেই আরও এক বড় পরাজয়ের শঙ্কা জেগেছে তাদেরকে ঘিরে। ৯৮ রানে হারিয়েছে তারা পাঁচ উইকেট। তৃতীয় দিনের সকাল বেলাতেই বাংলাদেশ চাইতে বাকি পাঁচটি উইকেটও তুলে নিতে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link