প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটের জয়। দ্বিতীয় ম্যাচ টাইগাররা জিতেছে ৯ উইকেট বাকি থাকতেই। এক ম্যাচ হাতে রেখে বাংলাদেশ সিরিজ জিতল বটে। কিন্তু এই জয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। না হল বোলারদের প্রস্তুতি ঠিকঠাক, না ব্যাটাররা নিজেদের সক্ষমতা বাজিয়ে দেখতে পারলেন। তবুও সিলেটে সিরিজ জয়ের এক পলকা গল্প রচিত হল।
দ্বিতীয় ম্যাচেও টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের। নেদারল্যান্ডসের সাথে বাংলাদেশের সামর্থ্যের পার্থক্য যে শুধু কাগজে-কলমে তা কিন্তু না। প্রথম ম্যাচেই স্পষ্ট হয়েছে দূরত্ব। কিন্তু তবুও বাংলাদেশের প্রথমে বোলিং করবার সিদ্ধান্ত। বরাবরের মত বোলারদের ঠিকঠাক বোলিংয়ে ১০৩ রানে অলআউট ডাচরা।
যদিও বেশ আলগা ডেলিভারিতে উইকেট পেয়েছেন বোলাররা। রিশাদ হোসেনের পরিবর্তে একাদশে সুযোগ পেয়েই নাসুম আহমেদ পেয়েছেন তিন উইকেটের দেখা। প্রথম ওভারেই তিনি পকেটে পুরেছেন দুই উইকেট। সেই দু’টি উইকেটের নাসুমের কৃতীত্ব খাটো করবার নয়। তবে শর্ট পিচ বলগুলো যে বড় দলের ব্যাটাররা বাউন্ডারি ছাড়া করবেন তা তো অনুমিত।

তবুও নাসুম আত্মবিশ্বাস পেলেন। পাঁচ বোলারের পাঁচজনই উইকেট পেয়েছেন। নাসুমের তিন উইকেটের পর মুস্তাফিজুর রহমান তুলে নিয়েছেন দুইটি উইকেট। চ্যালেঞ্জ ছাড়া বোলিং ডিপার্টমেন্ট যেমনটা করার কথা, তেমনই করেছে ইনিংস জুড়ে। তবে এদিন বাংলাদেশের থ্রোয়িং ছিল ভালই দৃষ্টিকটু। বেশ ক’বার রানআউট মিস করেছেন টাইগার ফিল্ডাররা।
অন্যদিকে এই স্বল্প রানের টার্গেটেও বাংলাদেশের ব্যাটারদের খানিকটা সংগ্রাম করতে দেখা গেছে শুরুর দিকে। স্বস্তি স্রেফ তানজিদ হাসান তামিমের বড় ইনিংস খেলা। বেশ ক’দিন ধরেই তিনি ভাল শুরু পেলেও তা কাজে লাগাতে পারছিলেন না। শেষ অবধি তার হাঁকানো চারেই বাংলাদেশের জয় হয়েছে সুনিশ্চিত।
তামিমের ব্যাট থেকে এসেছে ৪০ বলে ৫৪ রান। নয় উইকেটের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বাংলাদেশ দল। কিন্তু দলের মিডল অর্ডার থেকে শুরু করে লোয়ার অর্ডার রীতিমত আনটেস্টড থেকে গেল। এশিয়া কাপের আগে শেষ প্রস্তুতির মঞ্চে বাংলাদেশের কি আদোতে আদর্শ প্রস্তুতি হল? উত্তরটা সম্ভবত ‘না’।












