বিপিএলের কনজিউমার প্রাইজ ইনডেক্স

বিপিএলের প্লেয়ার ড্রাফট থেকে মোটামুটি সবগুলো ফ্র্যাঞ্চাইজিই গতকাল তাঁদের দল গুছিয়ে নিয়েছে। এরপরেও হয়তো আরো কয়েকজন দেশি কিংবা বিদেশি ক্রিকেটারকে দলে ভিড়াবে ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলো। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত বেশ শক্ত দল গড়েছে ঢাকা, কুমিল্লার মত ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলো।

ঢাকায় তরী ভিড়িয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মাশরাফি বিন মর্তুজা ও তামিম ইকবাল। এছাড়া কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স আইকন ক্রিকেটার হিসেবে নিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমানকে। ওদিকে সাকিব আল হাসান খেলবেন ফরচুন বরিশালের হয়ে। ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলো দল সাজাতে এখন পর্যন্ত কত টাকা খরচ করলো সেই হিসাবই বের করা হয়েছে এই তালিকায়।

  • ফরচুন বরিশাল

সাকিব আল হাসানকে নিয়ে নিজেদের দল সাজিয়েছে ফরচুন বরিশাল। এ ক্যাটাগরির সাকিবকে নিতে খরচ করতে হয়েছে ৭০ লাখ টাকা। এছাড়া বি ক্যাটাগরি থেকে নেয়া হয়েছে নুরুল হাসান সোহান, নাজমুল হোসেন শান্ত কে। এই দুইজনের জন্য খরচ করতে হয়েছে মোট ৭০ লাখ টাকা।

আর সি ক্যাটাগরি থেকে বরিশাল নিয়েছে তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, জিয়াউর রহমান, তৌহিদ হৃদয় ও  ফজলে রাব্বিকে। এদের নিতে জনপ্রতি গুনতে হয়েছে ২৫ লাখ টাকা। এছাড়াও বরিশাল সালমান হোসেন, সৈকত আলী, শফিকুল ইসলামদের দলে নিয়েছে। ফলে পুরো দল গোছাতে বরিশাল খরচ করেছে সবচেয়ে বেশি ৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা। এর বাইরে ডিরেক্ট সাইনিংয়েও ক্রিস গেইলদের দলে ভিড়িয়েছে বরিশাল।

  • কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

কুমিল্লা তাঁদের ডিরেক্ট সাইনিংয়ে নিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে। এছাড়া বি ক্যাটাগরিতে দলে ভিড়িয়েছে লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক ও মেহেদী হাসানকে। ওদিকে পারভেজ ইমন, মাহমুদুল হাসান জয়দের মত তরুণ ক্রিকেটারদেরও দলে নিয়েছে কুমিল্লা।

সব মিলিয়ে কুমিল্লার খরচ হয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখ টাকা। এছাড়া বিদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যে মঈন আলী, ফাফ ডু প্লেসিস ও সুনীল নারাইনকেও ডিরেক্ট সাইনিংয়ে দলে নিয়েছে কুমিল্লা।

  • চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স তাদের ডিরেক্ট সাইনিংয়ে বি ক্যাটাগরি থেকে নিয়েছিল স্পিনার নাসুম আহমেদকে। এছাড়া লোকাল ক্রিকেটারদের মধ্যে আফিফ হোসেন, মেহেদী মিরাজ শরিফুল ইসলামদের নিয়েছে বি ক্যাটাগরি থেকে।

এর বাইরে রেজাউর রাজা, সাব্বির রহমান, মৃত্যুঞ্জয়, শামীম হোসেন, আকবর আলীদেরও দলে ভিড়িয়েছে চট্টগ্রামের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি। আর বিদেশিদের মধ্যে বেনি হাওয়েল, চার্ডিক ওয়ালটনরা জায়গা পেয়েছে চট্টগ্রামে। এতে ড্রাফটে সবমিলিয়ে তাঁরা খরচ করেছে ৩ কোটি ৬ লাখ টাকা।

  • খুলনা টাইগার্স

খুলনা ডিরেক্ট সাইনিংয়ে এ ক্যাটাগরি থেকে দলে ভিড়িয়েছে মুশফিকুর রহিমকে। এছাড়া বি ক্যাটাগরি থেকে সৌম্য সরকার, শেখ মেহেদীদের দলে নিয়েছে খুলনা। এর বাইরে কামরুল ইসলাম রাব্বি, ইয়াসির রাব্বি, ফরহাদ রেজা, রনি তালুকদার, নাবিল সামাদরাও আছেন খুলনা দলে।

আর বিদেশি কোটায় দলে আছেন সিকান্দার রাজা, থিসারা পেরেরা, রাজাপাকশে ও নাভিন উল হক। সবমিলিয়ে ড্রাফট থেকে ক্রিকেটার নিতে খুলনা খরচ করেছে ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা।

  • সিলেট সানরাইজার্স

সিলেট ডিরেক্ট সাইনিংয়ে দলে ভিড়িয়েছে দারুণ ফর্মে থাকা পেস বোলার তাসকিন আহমেদকে। এছাড়া মোহম্মদ মিঠুন, মোসাদ্দেক হোসেন, আলামিন হোসেন, নাজমুল অপুদের নিয়েছে সিলেট।

এর বাইরে সোহাগ গাজী, অলক কাপালি, মুক্তার লালী, মিজানুর রহমানও খেলবেন সিলেটের হয়ে। বিদেশিদের মধ্যে দলে নিয়েছে দীনেশ চান্দিমাল, শেরবাজ আহমেদকে। প্লেয়ার ড্রাফটে সিলেটের এই ফ্র্যাঞ্চাইজি খরচ করেছে ৩.৫ কোটি টাকা।

  • বিসিবি ঢাকা

শেষ মুহূর্তে ফ্র্যাঞ্চাইজি বাতিল হওয়ার এবার ঢাকার মালিক বিসিবিই। তাঁরাও সিনিয়র ক্রিকেটারদের নিয়ে তারকা বহুল দল সাজিয়েছে। আইকন ক্রিকেটার রিয়াদের সাথে থাকছেন এ ক্যাটাগরির আরো দুই ক্রিকেটার তামিম ও মাশরাফি। এছাড়া বি ক্যাটাগরি থেকে নিয়েছে নাঈম শেখকে।

এর বাইরে শুভাগত হোম, আরাফাত সানি, শফিউল ইসলাম, এবাদত হোসেন, রুবেল হোসেনদের। এছাড়া বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে নিয়েছে ইসুরু উদানা, কায়েস আহমেদদের। সবমিলিয়ে ড্রাফটে তাঁরা খরচ করছে ৪ কোটি ১ লাখ টাকা।

লেখক পরিচিতি

আমার ডায়েরির প্রতিটা পৃষ্ঠাই আমার বাইশ গজ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link