বাটলারের সেঞ্চুরির জন্য আক্ষেপ থাকার কথা নয়

৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের হারিয়ে যাওয়া সুদিনের এক ঝলক দেখিয়ে গেলেন বাটলার। সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে শেষ করেছেন। তবে, যার এক আইপিএলেই চারটি সেঞ্চুরি করার নজীর আছে, তাঁর আর আক্ষেপ করা সাজে না।

শেষ ছয় বলে জিততে গুজরাট টাইটান্সের দরকার ছিল ১০ রান। কে জানত রাহুল তেওয়াতিয়া মাত্র দুই বলের মধ্যেই উড়িয়ে দিবেন মিশেল স্টার্ককে। প্রথমে ছক্কা, এরপর চার – ম্যাচ গুজরাটের পকেটে। টানা দ্বিতীয় ম্যাচ অন্তিম ওভারে গিয়ে প্রতিপক্ষের মুখ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ ছিল মিশেল স্টার্কের সামনে। সেটা তিনি পারেননি।

তিনি না পারলেও রাহুল তেওয়াতিয়া পেরেছেন, একই সাথে তিনি জশ বাটলারকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করতেও সক্ষম হয়েছেন। গুজরাট যখন জয়ের বন্দরে ভিড়ে যায়, তখন সেঞ্চুরি থেকে মাত্র তিন রান দূরে ছিলেন এই ইংলিশ উইকেটরক্ষক ব্যাটার।

৯৭ রানের ইনিংস খেলেছেন ৫৪ বলে। চার ছক্কা আর ১১ টি চারের ইনিংসে গুজরাটের রান তাড়া করার সংগ্রামটার পায়ের নিচের মাটি শক্ত হয়। সবচেয়ে বেশি তোপটা গেছে মিশেল স্টার্কের ওপর দিয়েই। এই অজি পেসারকে তিনি এক ওভারে টানা পাঁচটি চার হাকান।

মিশেল স্টার্ক দিনটা ভুলে যেতেই চাইবেন। তিন ওভার দুই বল বোলিং করে রান গুণেছেন ৪৯। মানে ওভারপ্রতি প্রায় ১৫ টি করে রান দিয়েছেন তিনি। কে বলবে, আগের ম্যাচেই ইয়র্কারের বন্যায় ম্যাচ জিতিয়েছিলেন।

এবার আহমেদাবাদে সেটা হতে দেননি জশ বাটলার। ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের হারিয়ে যাওয়া সুদিনের এক ঝলক দেখিয়ে গেলেন বাটলার। সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে শেষ করেছেন। তবে, যার এক আইপিএলেই চারটি সেঞ্চুরি করার নজীর আছে, তাঁর আর আক্ষেপ করা সাজে না।

Share via
Copy link