কভারের উপর দিয়ে বিশাল এক ছক্কা হাঁকালেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তাতেই ৩২৩ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলল সেন্ট্রাল জোন। রীতিমতো অসম্ভবকে জয় করলেন মোসাদ্দেক, জ্বলে উঠলেন ঠিক যখন দরকার পড়ল। অবিশ্বাস্য এক চেজে নর্থ জোনকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কেটে নিল সেন্ট্রাল জোন।
এদিন আগে ব্যাট করতে নামা সাউথ জোন নয় রানের মধ্যেই হারিয়ে ফেলে দলের দুই সেরা ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্ত এবং লিটন দাসকে। আরও এক লো-স্কোরিং ম্যাচের শঙ্কা জেগে উঠছিল। তবে সেখান থেকে এক নতুন গল্প লেখেন তানজিদ হাসান তামিম। অন্যপাশে কে আছে কে নেই, এসবের তোয়াক্কা না করেই নিজের স্বভাবজাত ব্যাটিং করতে থাকেন।
তুলে ফেলেছেন ৯২ রান, সেঞ্চুরি তখন হাতছোঁয়া দূরত্বে। তবে ওখানেই থামতে হলো তামিমকে। আট রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরে যান সাজঘরে। তবে স্কোরকার্ডে একচুলও আঁচ লাগতে দেননি তাওহীদ হৃদয়। তামিমের অপূর্ণতা যেন পূর্ণতা দিলেন তিনি। খেললেন ১০২ রানের অনবদ্য এক নক।

তবে সেন্ট্রাল জোনের জন্য তখনও এক বিভীষিকা অপেক্ষা করছিল। সাব্বির রহমান যে নিজের ভয়ঙ্কর রূপটাই দেখালেন। ৫১ বলে খেললেন ৭৩ রানের দুর্ধর্ষ এক নক। তাতেই ৩২২ রানের পাহাড়সম সংগ্রহ স্কোরবোর্ডে তোলে নর্থ জোন।
এই রান চেজ করে সেন্ট্রাল জোন জিততে পারে, এটা বোধহয় কেউ কল্পনাও করেনি। তবে বিশ্বাস ছিল জিসান আলমের ব্যাটে। একটু একটু করে জয়ের সম্ভাবনা বাঁচিয়ে তোলেন, খেলেন ১২৭ রানের অবিশ্বাস্য এক ইনিংস। তবে রান যে পাহাড়সম, জয়ের সীমানা তখনও বহুদূরে। সেখানেই বাজিমাত করেন মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।
চার ওভারে তখনও দরকার ৪৫ রান। হাতে আছে মাত্র দুই উইকেট। রীতিমতো অসম্ভব এক সমীকরণ মেলাতে হবে। তবে মোসাদ্দেক সেটাকেই সম্ভব করলেন। ২৬ বলে খেলেন ৫৪ রানের অতিমানবীয় ইনিংস। আর ওটাই ব্যবধান গড়ে দেয় শেষমেষ, চার বল আর দুই উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় সেন্ট্রাল জোন। সেই সঙ্গে নিশ্চিত করে ফেলে ফাইনালটাও।











