জ্যাকস-রেহান ঝড়ে উড়ে গেল নিউজিল্যান্ড!

হাতে ১৮ বল, জিততে হলে চাই ৪৩ রান। সময়ের বিবেচনায় রীতিমতো অসম্ভব এক সমীকরণ। তবে বিজয় ছিনিয়ে আনতে গেলে যে অবিশ্বাস্য কিছুই করতে হয়। সেটাই করে দেখালেন উইল জ্যাকস এবং রেহান আহমেদ।

হাতে ১৮ বল, জিততে হলে চাই ৪৩ রান। সময়ের বিবেচনায় রীতিমতো অসম্ভব এক সমীকরণ। তবে বিজয় ছিনিয়ে আনতে গেলে যে অবিশ্বাস্য কিছুই করতে হয়। সেটাই করে দেখালেন উইল জ্যাকস এবং রেহান আহমেদ।

১৬০ রানের সমীকরণ সময়ের সাথে সাথে তা যেন পাহাড়সম হয়ে দাঁড়িয়েছিল ইংল্যান্ডের জন্য। চেজ করতে নেমে দুই রানের মাথায় ফিরে গেছেন দুই ওপেনার। ৫৮ রানেই হারিয়ে বসে চার উইকেট। সময়ের সাথে উইকেটটাও দেখায় তার নিষ্ঠুর রূপ। কিউই স্পিনাররা ছড়ি ঘোরাতে থাকে ইংল্যান্ডের ওপর। যা চলে ১৭তম ওভার পর্যন্ত।

ছয় উইকেট নেই স্কোরবোর্ডে, ওভারপ্রতি দরকার ১৪.৩৩ রান। কার্যত সবাই ধরেই নিয়েছে এ আর সম্ভব নয়। ঠিক তখনই ভগ্নস্তূপ থেকে উঠে এলেন জ্যাকস। শেষ হওয়ার আগে হার মানতে নারাজ তিনি। ১৮তম ওভারে বল হাতে গ্লেন ফিলিপস। জ্যাকস জানতেন, এই শেষ সুযোগ—কাজে লাগাতে পারলে নায়কের বেশেই ফেরা যাবে ডেরায়।

দুই ছক্কা আর দুই চারের সাহায্যে ওভার থেকে আদায় করলেন ২২ রান। রীতিমতো অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ঝরে পড়ল ব্যাট থেকে। অদম্য, অপ্রতিরোধ্য জ্যাকস সমীকরণ নিয়ে এলেন দুই ওভারে ২১ রানে।

তখনও কিছুই নির্ধারণ হয়ে যায়নি। এবার নায়কের দৃশ্য নিয়ে হাজির রেহান আহমেদ। ১৯তম ওভারে মিচেল স্যান্টনার বুঝিয়ে দিলেন ছোট মরিচের ঝালটা আসলে কী! ১৬ রান আদায় করে ম্যাচ নিজেদের হাতের মুঠোয় নিয়ে এলেন।

শেষমেশ তিন বল হাতে রেখেই নিউজিল্যান্ডের বেঁধে দেওয়া বাধাটা ভেঙেচুরে ফেলে ইংল্যান্ড। ১৬ বলে ৪৪ রানের জুটিই গড়ে দেয় ব্যবধান। যার মধ্যে নয় বল থেকে জ্যাকস আদায় করেন ২৪ আর সাত বলে রেহানের সংগ্রহ ১৯। এ যেন নিজেদের মধ্যেই তুমুল লড়াই চালিয়েছেন দুজন। তবে ক্ষতিটা হয়েছে ওই নিউজিল্যান্ডেরই!

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link