দুই প্রেমিকার সামনে চাহালের এক কীর্তি!

ক্রিকেট মাঠে হ্যাটট্রিক মানেই বোলারের জন্য বিশেষ কিছু। আর সেই হ্যাটট্রিক যদি হয় গ্যালারিতে বসে থাকা দুই বিশেষ মানুষের সামনে—তাহলে তো সেটি হয় সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত!  ঠিক এমনই এক সিনেমার মতো কাহিনির জন্ম দিলেন ভারতের লেগস্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। যা আইপিএল ইতিহাসেরই বিরল ঘটনা।

ক্রিকেট মাঠে হ্যাটট্রিক মানেই বোলারের জন্য বিশেষ কিছু। আর সেই হ্যাটট্রিক যদি হয় গ্যালারিতে বসে থাকা দুই বিশেষ মানুষের সামনে—তাহলে তো সেটি হয় সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্ত!  ঠিক এমনই এক সিনেমার মতো কাহিনির জন্ম দিলেন ভারতের লেগস্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। যা আইপিএল ইতিহাসেরই বিরল ঘটনা।

সম্প্রতি একটি ভাইরাল মিমে দেখা যায়, ২০২২ এবং ২০২৫ সালে দুটি আলাদা ম্যাচে চাহাল হ্যাটট্রিক করার পর গ্যালারিতে উল্লাস করছেন দুই ভিন্ন নারী। দুজনই  চাহালের বিশেষ মানুষ ছিলেন। একজন প্রাক্তন স্ত্রী অন্যজন বর্তমান প্রেমিকা।

মিমটি শেয়ার হতেই সামাজিক মাধ্যমে হাসির রোল পড়ে গেছে।  অনেকে মন্তব্য করছেন , “চাহাল শুধু ব্যাটারদের  নয়, প্রেমিকার মনও স্পিন করাতে জানেন!” আবার কেউ বলছেন, “চাহাল প্রেমে আর ক্রিকেটে সমান সফল!”

তবে এসব মজার গল্পের বাইরে গিয়ে খেলার প্রসঙ্গে ফিরলে দেখা যায়, চাহালের ফর্ম দারুণ। ভারতের হয়ে দীর্ঘদিন জাতীয় দলে খেলা এই লেগস্পিনার এখনও নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করছেন মাঠে। আইপিএলে ১০ ম্যাচেই ইতিমধ্যে নিয়েছেন ১৩ উইকেট। দুই ম্যাচে আবার শিকার করেছেন চারটি করে উইকেট, আছে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে একটি হ্যাটট্রিকও।

তাঁর দারুণ পারফরম্যান্সে দল পাঞ্জাব কিংসও পাচ্ছে সাফল্য। গুগলি, ফ্লিপার আর লেগ স্পিনে যেন ব্যাটসম্যানদের নাচিয়ে ছাড়ছেন তিনি।

ক্রিকেট মাঠে নতুন সব রেকর্ড যেমন উঠে আসে পরিসংখ্যানে, তেমনি হাস্যকর মুহূর্তগুলোও জায়গা করে নেয় স্মৃতির খাতায়। আর চাহাল  জয়েন দুই জায়গাতেই সিদ্ধহস্ত? মজা অথবা পারফরম্যান্স—সবখানেই যেন তার রাজত্ব।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link