আজ পক্ষে, কাল বিপক্ষে

দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন। এদের মধ্যে গুটি কয়েক ক্রিকেটার আছেন – যারা তাদের পক্ষে ও বিপক্ষে দুই ম্যাচই খেলার রেকর্ড গড়েছেন । আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি ভিন্ন দলের পক্ষে ও বিপক্ষে খেলেছেন এমন ক্রিকেটার আছেন মোট সাতজন।

দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন এমন অনেক ক্রিকেটার আছেন। এদের মধ্যে গুটি কয়েক ক্রিকেটার আছেন – যারা তাদের পক্ষে ও বিপক্ষে দুই  ম্যাচই খেলার রেকর্ড গড়েছেন । আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুটি ভিন্ন দলের পক্ষে ও বিপক্ষে খেলেছেন এমন ক্রিকেটার আছেন মোট সাতজন।

  • বিলি মিডউইন্টার (ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া) – টেস্ট

সাবেক ক্রিকেটার বিলি মিডউইন্টার একই সাথে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া দুই দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১২টি টেস্ট খেলেছেন তিনি।

এর মধ্যে চারটি ইংল্যান্ডের হয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ও আটটি টেস্ট খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ১২ টেস্টে ২৬৯ রান আর বল হাতে নিয়েছেন ২৪ উইকেট।

  • ফ্র‍্যাঙ্ক হার্নি (দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড) – টেস্ট

সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার ফ্র‍্যাঙ্ক হার্নি ক্রিকেট পরিবার থেকেই উঠে এসেছিলেন। ভাই জর্জ হার্নি ও অ্যালেক হার্নিও ছিলেন ক্রিকেটার। ক্যারিয়ারে খেলেছেন ছয়টি টেস্ট। এই ছয়টি টেস্টের চারটি দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ও দুইটি টেস্ট খেলেন ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে। এই দুই দলের হয়েই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পক্ষে-বিপক্ষে খেলেছেন হার্নি।

দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সি গায়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চার টেস্টে ব্যাট হাতে করেছেন ১১৯ রান ও বল হাতে নেন ২ উইকেট। বিপরীতে, ইংল্যান্ডের হয়ে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে দুই টেস্টে করেন ৪৭ রান।

  • ফ্র‍্যাঙ্ক মিশেল (দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড) – টেস্ট

সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটার ফ্র‍্যাঙ্ক মিশেল ক্যারিয়ারে মাত্র পাঁচ টেস্ট খেলেছেন। এই পাঁচ টেস্টের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার জার্সি গায়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি ও ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলেন দুই ম্যাচ। পাঁচ টেস্টের ছোট্ট ক্যারিয়ারে ১১.৬০ গড়ে মাত্র ১১৬ রান করেন ফ্র‍্যাঙ্ক মিশেল

  • স্যামি গুইলেন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড) – টেস্ট

সাবেক ক্যারিবিয়ান উইকেটরক্ষক ব্যাটার স্যামি গুইলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন। দুই দলের পক্ষে বিপক্ষে খেলেছেন ছয় ম্যাচ।

নিউজিল্যান্ডের জার্সি গায়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিনটি ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের জার্সি গায়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেন তিনটি টেস্ট। আট টেস্টের ক্যারিয়ারে এক ফিফটিতে করেছেন ২০২ রান।

  • এড জয়েস (আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড) – ওয়ানডে

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দুই দলের হয়ে খেলা ক্রিকেটারদের একজন আইরিশ তারকা এড জয়েস। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড দুই দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন তিনি।

দুই দলেরই পক্ষে এবং বিপক্ষে মাঠ মাতিয়েছেন ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি উভয় ফরম্যাটেই। ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন দুই ওয়ানডে। বিপরীতে, আয়ারল্যান্ডর জার্সি গায়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন ছয় ওয়ানডে।

  • ইয়ন মরগ্যান (আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড) – ওয়ানডে

সাদা বলের ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইয়ন মরগ্যানও আছেন এই তালিকায়। ক্যারিয়ারের শুরুটা করেছিলেন আয়ারল্যান্ডর হয়ে। আয়ারল্যান্ডের জার্সি গায়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন মাত্র এক ম্যাচ।

বিপরীতে, ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আট ম্যাচ খেলেছেন এই তারকা। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে আট ম্যাচে ৬৮.৫০ গড়ে দুই সেঞ্চুরি ও দুই ফিফটিতে চারশোর বেশি রান করেছেন তিনি।

  • বয়েড র‍্যানকিন (আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড) – ওয়ানডে

আয়ারল্যান্ডের পেসার বয়েড র‍্যানকিন ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ড উভয় দলের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেছেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছেন চার ওয়ানডে। বিপরীতে, ইংল্যান্ডের জার্সি গায়ে আয়ারল্যান্ডের হয়ে খেলেছেন এক ম্যাচ। দুই দলের হয়ে পক্ষে-বিপক্ষে শিকার করেছেন চার উইকেট।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link