গোলরক্ষকের বীরত্বে গোলশূন্য ড্র করল কুরাসাও!

পুরো ম্যাচজুড়ে কুরাসাওয়ের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ইকুয়েডরের শক্তিশালী আক্রমণভাগের সব প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেয়।

রোমাঞ্চকর লড়াই শেষে ইকুয়েডর ও কুরাসাওয়ের ম্যাচটি গোলশূন্য সমতায় শেষ হয়েছে। পুরো ম্যাচজুড়ে কুরাসাওয়ের সুসংগঠিত রক্ষণভাগ ইকুয়েডরের শক্তিশালী আক্রমণভাগের সব প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেয়।

​ক্যানসাস সিটিতে আয়োজিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই ইকুয়েডর জয়ের জন্য মরিয়া ছিল। তবে কুরাসাও গোলরক্ষক ইলোয় রুমের বিশ্বমানের পারফরম্যান্সের সামনে তারা অসহায় হয়ে পড়ে।

ম্যাচের ৭৫ শতাংশ সময় জুড়েই বল নিজেদের দখলে রাখে ইকুয়েডর। মোটে ২৮টি শট নিলেও একটিও গোলের দেখা মেলেনি সেবেস্তিয়ান বিসাসিসের দলের।

ইকুয়েডর যখন একের পর এক আক্রমণ করছিল, তখন রুমের ক্ষিপ্রতা দলকে রক্ষা করে। ৬৫ মিনিটে এনার ভ্যালেন্সিয়ার জোরালো শটও তিনি দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন।

গোল মিসের তালিকায় সবচেয়ে বড় আক্ষেপের ঘটনাটি ঘটে ৭৪তম মিনিটে। যখন পিয়েরো হিনকাপি ছয় গজ দূর থেকে একটি সহজ ফ্রি হেডারে বল জালে জড়াতে ব্যর্থ হয়ে বারের ওপর দিয়ে বাইরে পাঠান। এই সুযোগটি হাতছাড়া হওয়া ছিল ইকুয়েডরের জন্য জয় না পাওয়ার অন্যতম একটি কারণ।

​পুরো ম্যাচজুড়ে কুরাসাও গোলরক্ষক ইলোয় রুম মোট ১৫টি অসাধারণ সেভ করে বিশ্বরেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যান। যা কুরাসাওয়ের মতো দলের জন্য এক গৌরবময় অর্জন। অন্যদিকে, বারবার গোলের সুযোগ তৈরি করেও ইকুয়েডরের ফিনিশিং ব্যর্থতা শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রয়ের মাধ্যমে ম্যাচটির সমাপ্তি ঘটায়।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link