সালমান আলী আঘাকে আমন্ত্রণ জানালেন ছক্কা হাঁকিয়ে। এরপরের বলেই আউট পারভেজ হোসেন ইমন। লাহোর কালান্দার্সের হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় ইনিংস খেলতে পারলেন না বাংলাদেশি ওপেনার। আগ্রাসী ইনিংসের আভাস দিয়ে ফিরেছেন দ্রুতই।
একটি ছক্কাতে যেন সীমিত হয়ে গেছে পারভেজ হোসেন ইমনের পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) অধ্যায়। দু’টো ম্যাচে একটি করে ছক্কা হাঁকিয়ে গেছেন তিনি। স্বভাবজাত আক্রমণাত্মক ব্যাটিং যখনই করতে শুরু করেছেন, ঠিক তার পরেই ঘটেছে তার পতন। এটা তার জন্য খানিকটা হতাশাজনক।
প্রথম ম্যাচে হায়দ্রাবাদ কিংসমেনের বিপক্ষে ১৪ রানে আউট হয়েছিলেন ইমন। সেদিনের ক্যাচ আউট করাচি কিংসের বিপক্ষে বনে গেছে লেগ বিফোর আউট। ১২ বলের ইনিংসটিতে এক ছক্কার কল্যাণে ১২টি রান এসেছে ইমনের ব্যাট থেকে। ১০০ স্ট্রাইকরেটের এই ধরণের ইনিংস, মোটেও তার প্রতিভা কিংবা সামর্থ্যের প্রতি সুবিচার করে না।

যদিও প্রথম বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি ভিত্তিক টুর্নামেন্ট তার জন্য এক স্নায়ুচাপের বলয় সৃষ্টি করেছে। সেটা বোঝা গেছে, করাচি কিংসের বিপক্ষে। শুরুতে তিনি খানিকটা ইতস্তত করেছেন বাইশ গজে। অ্যাডাম জাম্পা, মঈন আলীদের বিপক্ষে বেশ সতর্কতার সাথে ব্যাটিং করেছেন ইমন।
ক্রমশ চাপ বাড়তে থাকে তার উপর। ১০ বলে ছয় রানের সময় চাপ কমাতে গিয়ে তিনি সালমানকে হাঁকান ছক্কা। এরপর আবারও সুইপ শটে বাউন্ডারি আদায় করতে গিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন। যদিও স্বদেশী আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত করাচির আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি। পরে অবশ্য রিভিউ নিয়ে ইমনকে প্যাভিলিয়নে ফেরান ডেভিড ওয়ার্নার।
দুই ম্যাচে ২৫ বলে ২৬ রান এসেছে ইমনের ব্যাট থেকে। তার উপর আস্থার যে স্তম্ভ ছিল, তা যেন ক্রমশ নড়বড়ে হয়ে যাচ্ছে। পরবর্তী ম্যাচে সুযোগ পেলে নিজের জাত চেনানোর প্রচেষ্টা ছাড়া করা ছাড়া ইমনের সামনে দ্বিতীয় কোন পথ খোলা নেই।












