বাবরের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের ইতি

এমন স্লট ব্যাটিংয়ের জন্যই বিশ্বকাপ খেলতে আসার আগে বিগ ব্যাশে তাঁকে স্ট্রাইকই দিতে চাননি স্টিভেন স্মিথ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সাড়ে চার হাজারের বেশি রান করে ফেললেও খেলাটার একালের মেজাজ বুঝতে পারছেন না বাবর আজম।

বাবর আজমের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হয়ে গেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁকে আর পাকিস্তানের জার্সিতে ২০ ওভারের ক্রিকেটে খেলতে দেখার সম্ভাবনা খুবই সামান্য।

বিদায়ের শুরুটা হল শ্রীলঙ্কার পাল্লেকেলে থেকে। একাদশ থেকে বাদ পড়লেন বাদশাহ বাবর। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে যেতে হলে, যখন শেষ ম্যাচে রান রেটের সাথে পাল্লা দিতে হবে পাকিস্তানকে তখন আর বাবরে ভরসা রাখতে পারল না পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট।

বলা হয়, এই প্রজন্মে পাকিস্তানের সেরা ব্যাটার বাবর। সবচেয়ে জরুরী ম্যাচেই যখন দলের সেরা ব্যাটারকে খেলানো সম্ভব হয় না, তখন বুঝতে হবে এই ফরম্যাটটাই তাঁর জন্য নয়। বাবরের ক্ষেত্রেও সেটাই হচ্ছে।

চলতি বিশ্বকাপে ছয় ম্যাচ খেলে মাত্র ৯১ রান করেন বাবর। স্ট্রাইক রেট মাত্র ১১২.৩৪। আধুনিক কালের টি-টোয়েন্টি জমানায় এই স্ট্রাইক রেট একেবারেই অচল।

এমন স্লট ব্যাটিংয়ের জন্যই বিশ্বকাপ খেলতে আসার আগে বিগ ব্যাশে তাঁকে স্ট্রাইকই দিতে চাননি স্টিভেন স্মিথ। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সাড়ে চার হাজারের বেশি রান করে ফেললেও খেলাটার একালের মেজাজ বুঝতে পারছেন না বাবর আজম।

আর সে জন্যই বাবরকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে এমন জরুরী ম্যাচে বসিয়ে রাখা। এটাই বাবরের টি-টোয়েন্টির কফিনে শেষ পেড়েক। বিরাট কিছু না ঘটলে এখান থেকে পুনরুত্থান সম্ভব নয় বাবরের। এখন শুধু ওয়ানডে আর টেস্টের দিকে মন দিলেই ক্যারিয়ারটা লম্বা হতে পারে বাদশাহ বাবরের।

Share via
Copy link