হারতে বসা ম্যাচ বীরদর্পে জিতে নিল ইংল্যান্ড!

পরিস্থিতি যাইহোক, হিসাব যত কঠিনই হোক ইংল্যান্ড ঠিকই বীর দর্পে বেরিয়ে আসতে পারে। যেন কোনকিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা এই দলটার সামনে। যেমনটা পারল না নিউজিল্যান্ড। পুরোটা সময় ম্যাচের লাগাম ধরে রাখলেও শেষ তিন ওভারে ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দিল ইংল্যান্ড। ম্যাচটাকে রীতিমতো ছিনিয়ে নিল চার উইকেটের ব্যবধানে। 

পরিস্থিতি যাইহোক, হিসাব যত কঠিনই হোক ইংল্যান্ড ঠিকই বীর দর্পে বেরিয়ে আসতে পারে। যেন কোনকিছুই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনা এই দলটার সামনে। যেমনটা পারল না নিউজিল্যান্ড। পুরোটা সময় ম্যাচের লাগাম ধরে রাখলেও শেষ তিন ওভারে ম্যাচের দৃশ্যপট বদলে দিল ইংল্যান্ড। ম্যাচটাকে রীতিমতো ছিনিয়ে নিল চার উইকেটের ব্যবধানে।

এদিন টসে জিতে ব্যাটিংটাই বেছে নিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। সিদ্ধান্ত যে ভুল না তা শুরুতেই প্রমাণ করে দেয় ব্যাটাররা। সাত ওভার টিকে থাকা ওপেনিং জুটি থেকেই আসে ৬৪ রান। ফিন অ্যালেন এবং টিম সেইফার্টের বিদায়ের পর অবশ্য কিছুটা তালগোল পাকিয়ে ফেলে নিউজিল্যান্ড। কৃতিত্বটা দিতে হবে ইংলিশ বোলারদের।

যে রান ১৮০-এর গন্ডি ছাড়াতে  শেষমেষ থেমেছে ১৫৯ রানে এসে। দায় অবশ্য উইকেটও আছে। সময়ের সাথে সাথে ব্যাটারদের জন্য নিষ্ঠুর হয়েছে। আর  শেষদিকে কিউই কোন ব্যাটারই পারেননি নিজেদের সেরকমভাবে মেলে ধরতে।

ইংল্যান্ডের সামনে লক্ষ্যটা খুব বেশি না। তবে শুরুতেই যেন ১৬০ রানই হয়ে দাঁড়াল পাহাড়সম। দুই রান না যেতেই যে দুই ওপেনার ফিরে যান সাজঘরে। সেখান থেকে ইনিংস মেরামত করতে থাকেন জ্যাকব বেথেল এবং দলের কাপ্তান হ্যারি ব্রুক। হিসাব কষেই এগোচ্ছিল এই জুটি।

তবে আবারও এক দমকা হাওয়া এসে এলোমেলো করে দেয় ইংল্যান্ডের সাজানো সবকিছু। ব্রুক বিদায় নেন ২৬ রান করে, এর ঠিক কিছুক্ষণ বাদেই বেথেলও ধরেন ড্রেসিংরুমের পথ। দুই সেট ব্যাটারকে হারিয়ে একেবারে কোনঠাসা হয়ে পড়ে ইংলিশরা।

বাকি সময়টা দাপট দেখিয়েছে নিউজিল্যান্ডই। একটু একটু করে ইংল্যান্ডকে ছিটকে ফেলার চেষ্টা করেছে তারা। শেষ তিন ওভারে তখন দরকার ৪৩ রান। জয়ের হাসি ফুটে উঠেছে কিউইদের ঠোটের ফাঁকে। ঠিক তখনই দৃশ্যপটে হাজির হলেন উইল জ্যাকস। ১৮ তম ওভার থেকে তুলে নিলেন ২২ রান। ১৯ তম ওভারে রেহান আহমেদ নিজের নৈপূণ্য দেখান। তুলে নেন ১৬ রান। আর ওখানেই মূলত শেষ হয়ে যায় কিউইদের শেষ সম্ভাবনা।

শেষ ওভারে পাঁচ রান, একেবারে সহজ সমীকরণ সহজেই মিলিয়ে ফেলে তারা। ইংল্যান্ড জিতে নেয় চার উইকেট হাতে রেখেই। এখানে একটা প্রশ্ন জেগে ওঠে নিউজিল্যান্ড কি ভুল করে ফেলল? ম্যাট হ্যানরি, লকি ফারগিউসনের মতো অভিজ্ঞ তারকাদের চার ওভার বাকি থাকা সত্ত্বেও ১৮ তম ওভারে আনা হয়েছে গ্লেন ফিলিপসকে। আর ওটাই যে মোমেন্টাম দিয়ে দিয়েছে ইংল্যান্ডকে। আর তাই তো নিশ্চিত জয়টা হাতছাড়া করে ফেলল নিউজিল্যান্ড।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link