পাকিস্তানের মন বোঝা মুশকিল! তা না হলে কেনই বা ২০২৩ সালের বিশ্বকাপের পর আর ওয়ানডে দলে জায়গা হবে না ফখর জামানের। দুয়ারে যখন আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, তখন আবার ফিরিয়ে আনা হয়েছে ফখর জামানকে। আর যথারীতি প্রত্যাবর্তনের ম্যাচেই ফখর জামান দাপটের সাথেই ব্যাট করলেন।
৩৩১ রানের স্কোর তাড়া করতে নেমে যেটা করা দরকার সেটাই করেছেন এই ওপেনার। ৬৯ বলে ক্রিজে ছিলেন। রান করেছেন ৮৪। স্ট্রাইক রেট প্রায় ১২২। অপর প্রান্তের নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতন ঘটলেও নিজের ইনিংসের ইমপ্যাক্ট পুরোটা সময় জুড়েই রেখে যান তিনি।

২০২৩ সালের বিশ্বকাপের পর অনেকটা অবিবেচকের মতই বাদ দেওয়া হয় ফখরকে। অথচ, সেই বিশ্বকাপে পাকিস্তানের টপ অর্ডারে খুবই উজ্জ্বল ছিল ফখর জামানের ব্যাট। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওই বিশ্বকাপেই ১২৬ রানের অপরাজিত এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন, যাতে তাঁর স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৫! বাংলাদেশর বিপক্ষেও ছিলেন উজ্জ্বল, খেলেন ৮১ রানের ইনিংস।
বিশ্বকাপের পর যথারীতি পালাবদল হয় পাকিস্তানের ক্রিকেটে। সেই ধারাবাহিকতায় বাদ পড়ে যান ফখর জামান। এরপর আরও অনেককেই কালক্রমে পাকিস্তান ক্রিকেটে পুনর্বাসিত করা হলেও ফখর জামানকে ডাকতে একটু বেশিই সময় নিয়ে ফেলল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।

ডাক পড়ল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ঠিক আগে। উদ্দেশ্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের পতাকা ওড়ানো। সর্বশেষ ২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত যে আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। সেবার ফাইনালে অনন্য এক সেঞ্চুরি করে পাকিস্তানের শিরোপা নিশ্চিত করেছিলেন ফখর। এবারও কি পারবেন?










