বাবা রাহুল দ্রাবিড়ের পথেই অনভয় দ্রাবিড়!

বাবার নাম রাহুল দ্রাবিড়। ক্রিকেট ইতিহাসে যার পরিচয় ‘দ্য ওয়াল’ নামে। যিনি ছিলেন অদম্য ধৈর্য, নিখুঁত টেকনিক আর নির্ভরতার প্রতীক। এমন একজন কিংবদন্তির ছেলে হওয়া যেমন গর্বের, তেমনি বিশাল এক চাপও থাকে ঘাড়ের ওপর।

বাবার নাম রাহুল দ্রাবিড়। ক্রিকেট ইতিহাসে যার পরিচয় ‘দ্য ওয়াল’ নামে। যিনি ছিলেন অদম্য ধৈর্য, নিখুঁত টেকনিক আর নির্ভরতার প্রতীক। এমন একজন কিংবদন্তির ছেলে হওয়া যেমন গর্বের, তেমনি বিশাল এক চাপও থাকে ঘাড়ের ওপর। প্রতিটি ইনিংসের পরই তুলনা চলে বাবার সঙ্গে। কিন্তু অনভয় দ্রাবিড় সেই তুলনায় হারিয়ে যেতে চান না, তিনি চান নিজের গল্প নিজেই লিখতে।

শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব–১৯ দলের বিপক্ষে দ্বিতীয় যুব ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে দূর্দান্ত এক ইনিংস খেলেছেন রাহুল দ্রাবিড়ের ছোট ছেলে অনভয় দ্রাবিড়। দলের কঠিন সময়ে পাঁচ নম্বরে নেমে ৬৭ বলে ৮৭ রানের ঝলমলে ইনিংস উপহার দেন ১৭ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার–ব্যাটার। এই ইনিংস আলোচনায় এনেছে তাঁকে। বাবার মতো যে বিপদে হাল ধরতে জানেন, সেটার এক প্রমাণ দিলেন।

অবশ্য এটি অনভয়ের প্রথম আলোচনায় আসা নয়। কর্ণাটকের বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে তিনি ইতোমধ্যেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে শুরু করেছেন। বয়সভিত্তিক দলে নেতৃত্বও দিচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি বিনু মঙ্কর ট্রফিতে ছয় ইনিংসে ২২০ রান করে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হন। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই প্রমাণ করছে, তিনি শুধু কিংবদন্তির ছেলে নন, নিজের যোগ্যতাতেই এগিয়ে যাচ্ছেন।

এই ইনিংসের আরেকটি দিকও গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে তিনি করেছিলেন মাত্র ১৪ রান। অনেক তরুণ ক্রিকেটারের ক্ষেত্রেই একটি ব্যর্থ ইনিংস আত্মবিশ্বাসে ধাক্কা দেয়। কিন্তু অনভয় সেই ব্যর্থতাকে পেছনে ফেলে পরের ম্যাচেই দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করেছেন।

 

অনভয় স্পষ্ট করে দিচ্ছেন, তিনি কেবল ‘রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে’ পরিচয়ে সীমাবদ্ধ থাকতে চান না। নিজের ব্যাটেই গড়তে চান আলাদা পরিচয়, আলাদা উত্তরাধিকার। বাবা যেমন একসময় নিজের ব্যাট দিয়ে লিখেছিলেন ইতিহাস, ছেলে অনভয়ও তেমনি ধীরে ধীরে লিখতে শুরু করেছেন নিজের নামের গল্প। উপসংহারে সেই গল্প কেমন আকার ধারণ করে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link