কোচিংয়ে ফিরছে ‘আশার ফুল’

ক্রিকেটের পাঠ চুকিয়েছেন অনেক দিন, এবার পুরোদস্তুর কোচিং ক্যারিয়ার গড়তে যাচ্ছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। দেশের ক্রিকেটের প্রথম পোস্টারবয় এবার দায়িত্ব পেয়েছেন বরিশাল বিভাগের কোচ হিসেবে। আসন্ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) এই গুরু দায়িত্বের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।

ক্রিকেটের পাঠ চুকিয়েছেন অনেক দিন, এবার পুরোদস্তুর কোচিং ক্যারিয়ার গড়তে যাচ্ছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।দেশের ক্রিকেটের প্রথম পোস্টারবয় এবার দায়িত্ব পেয়েছেন বরিশাল বিভাগের কোচ হিসেবে। আসন্ন জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) এই গুরু দায়িত্বের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) আগেই রংপুর রাইডার্সে কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে আশরাফুলের। এবার  এনসিএলে ‍বরিশালের দায়িত্ব পড়েছে তাঁর উপর।

এ নিয়ে এনসিএল টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান বলেন, ‘বরিশাল দল নিয়ে আমরা সত্যিই সিরিয়াস। আশরাফুল আমাদের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় ছিলেন। তিনি নিজেই কোচিংয়ে আগ্রহ দেখিয়েছেন। যেহেতু বরিশালের হয়ে ও দু’বছর খেলেছে। আমরা মনে করি তাঁর অভিজ্ঞতা দলকে সাহায্য করবে।’

মাত্র ১৭ বছর বয়সে টেস্টে শতরান করে রেকর্ডের টেবিলে নিজের নাম তোলেন আশরাফুল। এরপর দীর্ঘ ১৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গিয়েছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিদায়ের পরও তিনি ক্রিকেটকে পুরোপুরি ছেড়ে দেননি। বরং নিজেকে প্রস্তুত করেছেন ভিন্ন ভূমিকায় ফেরার জন্য।

আশরাফুল শুধু খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতায় নয়, কোচিংয়ের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতিতেও এগিয়ে রেখেছেন নিজেকে। তিনি লেভেল-২ কোচিং কোর্স সম্পন্ন করেছেন, যা বাংলাদেশের খুব কম সংখ্যক কোচই করেছেন। তাই তো মাঠে আবারও ফিরবেন আশরাফুল তবে ব্যাট হাতে নয়, পরিকল্পনা আর মস্তিষ্কের ভেলকি দিয়ে।

মোহাম্মদ আশরাফুল  একসময় পরিচিত ছিলেন দেশের ক্রিকেটে ‘আশার ফুল’ নামে। এখন বরিশালের ক্রিকেটারদের জন্য এক নতুন অনুপ্রেরণার নাম হতে চলেছেন। ‍

ক্রিকেটার থেকে কোচ, এই রুপান্তর শুধু তাঁর ক্যারিয়ারের নতুন অধ্যায় নয় বরং বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক নতুন সংযোজন, এক নতুন আশা। নতুন পরিচয়ে আবারও ফুল হয়ে ফুটতে পারবেন কি আশরাফুল!

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link