জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক হচ্ছেন বাশার

গুঞ্জনই শেষ অবধি সত্যি হতে চলেছে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হতে চলেছেন হাবিবুল বাশার সুমন।

গুঞ্জনই শেষ অবধি সত্যি হতে চলেছে। বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের পরবর্তী প্রধান নির্বাচক হতে চলেছেন হাবিবুল বাশার সুমন। গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর স্থলাভিষিক্ত হতে চলেছেন বাশার। এর আগে নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। কিন্তু এদফা গুরু দায়িত্ব উঠছে তার কাঁধে।

গাজী আশরাফ হোসেন লিপুর মেয়াদকাল শেষ হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। দুই বছরের এই চুক্তি আর নবায়ন করতে রাজি নন লিপু। পারিবারিক কারণে তিনি বিসিবিকে জানিয়ে দিয়েছিলেন নিজের ইচ্ছের কথা। যদিও বিসিবি দীর্ঘমেয়াদে ও বৃহৎ পরিসরে লিপুর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়ার পরিকল্পনাই করছিল।

কিন্তু তার অনীহার কারণেই নতুন প্রধান নির্বাচকের খোঁজে ছিল বিসিবি। সে ভাবনাতে বেশ জোরালভাবেই উচ্চারিত হয়েছিল হাবিবুল বাশার সুমনের নাম। কেননা তাকে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব জানিয়েছিল বিসিবি। সেই ধারাবাহিকতায় অতি দ্রুতই প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব স্থানান্তরিত হতে পারে বাশারের কাঁধে।

২০১৬ সালে প্রথমবারের মত নির্বাচক প্যানেলে যুক্ত হয়েছিলেন হাবিবুল বাশার। এরপর দীর্ঘদিন তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন নির্বাচক হিসেবে। একটানা আট বছর ধরে তিনি ছিলেন সে দায়িত্ব। অভিজ্ঞতা যথেষ্ট বলেই এবার প্রধান নির্বাচকের গুরু দায়িত্ব পেতে চলেছেন তিনি।

বর্তমানে তিনি বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটিতে কর্মরত আছেন বাশার। ধারণা করা হচ্ছে, ২২ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি প্রধান নির্বাচকের দায়িত্ব পেতে চলেছেন। তার মূল চ্যালেঞ্জ থাকবে ২০২৭ বিশ্বকাপের জন্য একটা সলিড স্কোয়াড গড়ে ফেলা। সুমন কি পারবেন সে দায়িত্ব সুনিপুণভাবে সামলে নিতে?

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link