রোহিত-মায়াঙ্ককে হটিয়ে শীর্ষে এখন কনওয়ে-লাথাম জুটি

মাউন্ট মঙ্গানুইতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ডেভন কনওয়ে ও টম ল্যাথাম এর ৩২৩ রানের ওপেনিং জুটি এখন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ উইকেট শুন্য জুটি। রোহিত শর্মা ও মায়াঙ্ক আগারওয়ালের করা ৩১৭ রানের ওপেনিং জুটির রেকর্ড ভেঙে তালিকার শীর্ষে আসে কনওয়ে-ল্যাথাম।

মাউন্ট মঙ্গানুইতে ইতিহাস গড়লেন নিউজিল্যান্ডের দুই ওপেনার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ডেভন কনওয়ে ও টম ল্যাথামের ম্যারাথন ওপেনিং জুটি এখন টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানের জুটি। পেছনে ফেলে দিয়েছেন রোহিত শর্মা ও মায়াঙ্ক আগারওয়ালের জুটিকে। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ওপেনিং জুটি নিয়ে থাকছে খেলা ৭১ এর আজকের আয়োজন।

  •  জ্যাক ক্রলি – বেন ডাকেট (২৩৩ রান)

২০২২ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডিতে ২৩৩ রানের ওপেনিং জুটি করেন ইংলিশ দুই ওপেনার। বেন ডাকেটের ব্যাক্তিগত সংগ্রহ ছিল ১০৭ ও ক্রলির ব্যাট থেকে আসে ১২২ রান।

  •  ইমাম-উল-হক – আবদুল্লাহ শফিক (২৫২* রান)

তালিকার চার নম্বর জুটিও রাওয়ালপিন্ডির মাটিতে গড়েছিল অনবদ্য যুগলবন্দী। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অপরাজিত ২৫২ রানের জুটি গড়েন পাকিস্তানি দুই ওপেনার। নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় ম্যাচ বিনা ফলাফলে শেষ হয়।

  •  শান মাসুদ – আবিদ আলী (২৭৮ রান)

২০১৯ সালে করাচিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ২৭৮ রানের জুটি গড়ে শান মাসুদ-আবিদ আলী জুটি। তাঁদের জুটির উপর ভর করে ২৬৩ রানের বিশাল জয় পায় পাকিস্তান। ১৭৪ রানের ইনিংস খেলার সুবাদে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন আবিদ আলী।

  •  রোহিত শর্মা – মায়াঙ্ক আগারওয়াল (৩১৭ রান) 

২০১৯ সালে সিরিজের ১ম ম্যাচের ১ম ইনিংসে ৩১৭ রানের এক অনবদ্য জুটি গড়েন রোহিত শর্মা ও মায়াঙ্ক আগারওয়াল। তাদের এ জুটির সুবাদে ৫০৭ রানে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ভারত। জোড়া সেঞ্চুরি করে ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন রোহিত শর্মা।

  • ডেভন কনওয়ে – টম ল্যাথাম (৩২৩ রান)

মাউন্ট মঙ্গানুইয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে কনওয়ের ডাবল সেঞ্চুরি ও ল্যাথামের সেঞ্চুরির সুবাদে ৩২৩ রানের রেকর্ড ব্রেকিং ওপেনিং জুটি মঞ্চস্থ হয়। যা টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপ এমনকি টেস্ট ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ রানের উদ্বোধনী জুটি।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Share via
Copy link