দিনশেষে হয়ত ম্যাচের স্কোরকার্ড বলবে অল্পের জন্য হেরেছে নেদারল্যান্ডস। তবে বাস্তবতা হচ্ছে পুরোটা সময়জুড়েই ম্যাচের লাগাম ছিল ভারতের হাতে। ১৭ রানের জয় তারা তুলে নিয়েছেন রীতিমত হেসেখেলে। যদিও শূন্যরানে অভিষেক শর্মার তৃতীয় দফা প্রস্থান, ভারতের জন্য দুশ্চিন্তা বাড়িয়েছে।
সোজাসাপ্টা নিয়ম রক্ষার ম্যাচ। ভারত ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিল টসে জিতে। অভিষেক শর্মার ফর্মে ফেরা ভীষণ জরুরি। আত্মবিশ্বাস যে তার ছুঁয়েছে তলানি। কিন্তু কাজের কাজ হল না, পেটের গণ্ডগোলে হাসপাতাল ঘুরে আসা ছেলেটা টানা তৃতীয় দফা হল ডাকের স্বীকার। এরপরও অবশ্য ভারত ভরকে যায়নি।

কিন্তু ইনফর্ম ঈশান কিষাণ দ্রুত ফেরার পর, একটু ইনিংস বিল্ডআপের চিন্তায় মগ্ন হয়ে পড়েন অধিনায়ক সুরিয়াকুমার যাদব ও তিলক ভার্মা। একটা পর্যায়ে তিলক আউট হওয়ার পর শিভাম দুবে বাইশ গজে নেমেও একই কাজ করেন খানিক্ষণ। এরপর শুরু হয় তাণ্ডব। মাত্র ২৫ বলে ৫০ রান তুলে ফেলেন তিনি। ৩১ বলে করেন ৬৬।
বাকিদের স্বভাবজাত ব্যাটিংয়ে ১৯৩ রানের পুঁজি ভারতের স্কোরবর্ডে। লক্ষ্যমাত্রা নেদারল্যান্ডসের জন্য ছিল আকাশ ছোঁয়ার সমান। প্রতিপক্ষ ভারতের সামনে তবুও তারা যতটুকু সম্ভব লড়াই করতে চাইল। ভাবনার শুরুটা হয় স্লথ গতির ওপেনিং জুটি দিয়ে। এক নোয়াহ ক্রোয়েস ছাড়া, আর কোন ব্যাটারই দুর্ধর্ষ কিছু করে যেতে পারেননি।

বরুণ চক্রবর্তী অবশ্য দুর্ধর্ষ কিছু করার সুযোগই দেননি। ডাচ ব্যাটারদের গড়পরতা পারফরমেন্সের অন্যতম কারণ ভারতীয় বোলারদের সঠিক পরিকল্পনার বাস্তবায়ন। তাতে করে সাত উইকেট হারিয়ে ১৭৬ অবধি পৌঁছায় ডাচদের সংগ্রহ। এদিন মোট সাতজন বোলার ব্যবহার করেছেন সুরিয়া। নিজের দলের বোলারদের একটু বাজিয়ে দেখেছেন আরকি সুপার এইটের আগে।











