একটি দল, একটিই প্রেম

আইপিএল মানেই গ্ল্যামার, উত্তেজনা আর চার-ছক্কার ফুলঝুরি। তবে এই টুর্নামেন্টের ১৮ বছরের ইতিহাসে কিছু নাম যেন একেকটি দলের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো ক্রিকেটার ক্যারিয়ারজুড়ে শুধু একটি দলের হয়েই লড়েছেন, আবার কেউ দীর্ঘ সময় ধরে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন।

আইপিএল মানেই গ্ল্যামার, উত্তেজনা আর চার-ছক্কার ফুলঝুরি। তবে এই টুর্নামেন্টের ১৮ বছরের ইতিহাসে কিছু নাম যেন একেকটি দলের সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো ক্রিকেটার ক্যারিয়ারজুড়ে শুধু একটি দলের হয়েই লড়েছেন, আবার কেউ দীর্ঘ সময় ধরে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন। আজ আমরা আলোকপাত করব সেই পাঁচ মহাতারকার ওপর, যারা নির্দিষ্ট একটি আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে গড়েছেন রানের পাহাড়।

  • বিরাট কোহলি (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু)

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু আর বিরাট কোহলি যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ২০০৮ সালের সেই সূচনা লগ্ন থেকে আজ অবধি তিনিই গোটা ক্রিকেট বিশ্বের বৃহৎ একটা অংশকে আরসিবির লাল রঙে মাতিয়ে রেখেছেন। ২৬৭ ম্যাচে কোহলির সংগ্রহ ৮,৬৬১ রান। সেই সাথে আইপিএল ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকায় শীর্ষের নামটিও বিরাটেরই।

  • রোহিত শর্মা (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স)

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে সাফল্যের শিখরে পৌঁছে দেওয়ার কারিগর রোহিত শর্মা কেবল একজন সফল অধিনায়কই নন, দলের ব্যাটিংয়ের মূল স্তম্ভও। নীল-সোনালি জার্সিতে ২২৭টি ম্যাচে তিনি সংগ্রহ করেছেন ৫,৮৭৬ রান। হিটম্যানের সহজাত ব্যাটিং প্রতিভা আর গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দলকে টেনে তোলার ক্ষমতা মুম্বাইকে আইপিএলের অন্যতম সফল ফ্র্যাঞ্চাইজির মর্যাদা দিয়েছে।

  • মহেন্দ্র সিং ধোনি (চেন্নাই সুপার কিংস)

​মহেন্দ্র সিং ধোনি – কেবল একটি নাম নয়, চেন্নাই সুপার কিংসের কাছে তিনি এক অমর আবেগ। ২০০৮ সালের সেই উদ্বোধনী লগ্ন থেকে আজ অবধি তিনি দলটির অবিসংবাদিত সেনাপতি ও আত্মিক অভিভাবক। সিএসকের হলুদ জার্সিতে ২৪৮টি ম্যাচে তাঁর উইলো থেকে এসেছে ৪,৮৬৫ রান। তবে এই সংখ্যা দিয়ে ধোনি নামক মহীরুহকে পরিমাপ করা সম্ভব নয়।

  • সুরেশ রায়না (চেন্নাই সুপার কিংস)

এক ফ্র‍্যাঞ্চাইজির হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের তালিকায় চার নম্বরে অবস্থান সুরেশ রায়নার। চেন্নাই সুপার কিংসের ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড হিসেবে দীর্ঘ এক দশক নির্ভরতা যুগিয়েছেন রায়না। ভক্তদের কাছে তিনি পরিচিত ‘মিস্টার আইপিএল’ নামে। ১৭৬ ম্যাচে তিনি সিএসকের হয়ে করেছেন ৪,৬৮৭। মিডল অর্ডারে তাঁর শৈল্পিক ব্যাটিং আর ধারাবাহিকতা চেন্নাইকে অনেক কঠিন পরিস্থিতি থেকে জয় এনে দিয়েছে।

  • এবি ডি ভিলিয়ার্স (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু)

ক্রিকেট যদি হয় জ্যামিতি, তবে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর জার্সিতে সেই জ্যামিতির দুরূহ সব সমীকরণ মেলানোর অন্যতম প্রধান কারিগর ছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। আরসিবির হয়ে ১৫৬ ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে প্রসূত হয়েছে ৪,৪৯১ রান।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link