গম্ভীরের প্রিয় খেলোয়াড়দের নিয়েই কি ডুবছে ভারত?

ভারতের টি-টোয়েন্টি দল যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। টানা দুই সিরিজে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের কাছে হারের পর এবার প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের দল নির্বাচন নিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের বাইরে থাকা ব্যাটার হনুমা বিহারি।

ভারতের টি-টোয়েন্টি দল যেন ছন্দ হারিয়ে ফেলেছে। টানা দুই সিরিজে ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের কাছে হারের পর এবার প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের দল নির্বাচন নিয়েই বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন ভারতের বাইরে থাকা ব্যাটার হনুমা বিহারি।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বিহারী বলেন, গম্ভীরের কিছু পছন্দের খেলোয়াড় আছে, পারফরম্যান্স যেমনই হোক তাদের বাদ দেওয়া হয় না। শিবম দুবে, সুরিয়াশ শেগড়ে আর ওয়াশিংটন সুন্দরের নাম তুলে তিনি বলেন, দলে এই তিনজনের অবদান খুবই সামান্য। দুবে না পারেন বল করতে, না ফিল্ডিংয়ে ভালো, ব্যাটেও নেই সেই ফর্ম। শেগড়েও একই রকম হতাশ করেছেন। ওয়াশিংটন সুন্দর প্রসঙ্গে বিহারী স্পষ্ট বলেন, এই খেলোয়াড় কেন এখনো দলে টিকে আছেন, তা তার বোধগম্য নয়।

দলের নির্বাচনে বারবার পরিবর্তন নিয়েও ক্ষুব্ধ বিহারী। সঞ্জু স্যামসনকে প্রথম ম্যাচে সুযোগ দিয়ে পরের তিন ম্যাচে বসিয়ে রাখা হয়, এরপর তরুণ বৈভব সূর্যবংশীকে আনা হয়, তাকেও তিন ম্যাচ পর বাদ দিয়ে আবার স্যামসনকে ফেরানো হয় শেষ ম্যাচে। এমন টানাপোড়েনে খেলোয়াড়দের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হচ্ছে বলেই মনে করেন তিনি। স্পিন আক্রমণেও প্রশ্ন তোলেন তিনি—বরুণ চক্রবর্তী, অক্ষর প্যাটেল কিংবা রবি বিষ্ণোই, কাউকে দিয়েই সুফল মেলেনি এই সফরে।

দল গঠনের সিদ্ধান্ত আসলে কার হাতে—কোচ গম্ভীরের, নাকি অধিনায়ক আইয়ারের—সেই প্রশ্নও তুলে দিয়েছেন বিহারী। কারণ একজন অধিনায়কের হাতে দল সাজানোর পূর্ণ ক্ষমতা না থাকলে দায়ও তার ওপর চাপানো যায় না বলেই মত তার।

তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে—পছন্দের খেলোয়াড়দের প্রতি এই আস্থা কি সত্যিই সামর্থ্যের বিচারে, নাকি অন্য কোনো হিসেব লুকিয়ে আছে এর পেছনে?

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link