বাংলাদেশে জয়াসুরিয়া, নেপথ্যে কি কারণ?

বাংলাদেশে সনাথ জয়াসুরিয়া, শুধুই কি আনন্দ ভ্রমণে এসেছেন নাকি বাংলাদেশ দলের কোনো দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্যই তাঁর এই সফর? প্রশ্নটা যে ডালপালা মেলছে অনেকগুলো কারণে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও সাম্প্রতিক আবহ আভাস দিচ্ছে ভিন্ন কিছুর।

বাংলাদেশে সনাথ জয়াসুরিয়া, শুধুই কি আনন্দ ভ্রমণে এসেছেন নাকি বাংলাদেশ দলের কোনো দায়িত্ব কাঁধে নেওয়ার জন্যই তাঁর এই সফর? প্রশ্নটা যে ডালপালা মেলছে অনেকগুলো কারণে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা না এলেও সাম্প্রতিক আবহ আভাস দিচ্ছে ভিন্ন কিছুর।

খেলোয়াড়ি জীবনেই ক্রিকেটের বড় অধ্যায়জুড়ে নিজের নাম লিখেছেন জয়াসুরিয়া। তামাম বিশ্বকে বুঁদ করে রেখেছিলেন আগ্রাসী মেজাজে। সেই পাঠ চুকেছে অনেক আগেই। তবে ক্রিকেটকে ছাড়া হয়নি। নিজের অর্জিত সমস্ত জ্ঞান, দর্শন নিঙড়ে দেওয়ার জন্য কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন।

ক্রিকেট বিশ্বে একটা সময় দাপট দেখিয়ে চলা শ্রীলঙ্কা পথভ্রষ্ট হয়েছে। পথ দেখানোর জন্য একজনকে দরকার, এগিয়ে এসেছিলেন জয়াসুরিয়া। নতুন করে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন এই দলটাকে। শেষটা ব্যর্থতার গোলকধাঁধার সমাধান তিনিও করতে পারেননি। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটে বাদ পড়েছে শ্রীলঙ্কা, এই দায় মাথায় প্রধান কোচের দায়িত্ব ছেড়েছেন জয়াসুরিয়া।

এমন পরিস্থিতির মাঝে বাংলাদেশ সফরে আসা ইঙ্গিত দেয় নতুন পথচলার। নিক পোথাসের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচের দায়িত্ব সামলাচ্ছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। তবে অনেকটা ভারপ্রাপ্ত পদের ভূমিকায় রয়েছেন তিনি। সিরিজ বাই সিরিজ চুক্তিতেই কাজ করে যাচ্ছেন আশরাফুল।

এই জায়গাটাতেই স্থায়ী সমাধান হতে পারেন জয়াসুরিয়া। নতুন আঙ্গিকে পথ দেখাতে পারেন বাংলাদেশকে। দুইয়ে দুইয়ে চার মেলালে এই সফরটা যে সেরকম কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link