আহমেদাবাদের ভাগ্যে কি আছে?

ঘটনা প্রবাহে ভাবতে বাধ্য করছে ভারত জিতবে টানা দ্বিতীয় শিরোপা, আবার পরক্ষণেই নিউজিল্যান্ডের প্রথম শিরোপা উদযাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে পরিসংখ্যান।

আহমেদাবাদের লাখো জনতার স্রোত পরিণত হবে প্রবল আনন্দের জলোচ্ছ্বাসে, নাকি পরিণত হবে বিষাদের বিশাল জলরাশিতে- তা নিয়ে যেন দোটানায় দিনাতিপাত করতে হচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট সমর্থকদের। ঘটনা প্রবাহে ভাবতে বাধ্য করছে ভারত জিতবে টানা দ্বিতীয় শিরোপা, আবার পরক্ষণেই নিউজিল্যান্ডের প্রথম শিরোপা উদযাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে পরিসংখ্যান।

ভারতকে ভরসা দিচ্ছে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য সেমিফাইনাল জয়। ২৫৪ রানের টার্গেট দিয়েও শেষ অবধি সাত রানের কষ্টার্জিত জয় ভারতের জন্য সৌভাগ্যের বার্তা নিয়ে এসেছে। কেননা এর আগে দুইবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও ইংল্যান্ড।

সেই দুই দেখায় একটি করে জয় ছিল দুই দলের ঝুলিতে। মজার বিষয় হচ্ছে, ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচে যে দল সেমিফাইনাল জিতেছে, সেই দলই শেষ অবধি শিরোপা উঁচিয়ে ধরেছে। ২০২২ সালে ইংল্যান্ড, ২০২৪ সালে ভারত। অতএব সেই ধারা মোতাবেক ভারতের চ্যাম্পিয়ন হওয়া অবধারিত।

অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দাপট রয়েছে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে। এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের মোলাকাত হয়েছে মোট মিলিয়ে ৩০ ম্যাচে। যার মধ্যে ১৬ খানা ম্যাচে জয়ের ভাগ্য লেখা হয়েছে ভারতের পক্ষে। কিন্তু বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ সব ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে পাত্তা পায়নি ভারত।

২০০৭ সালে হেরেছিল ১০ রানের ব্যবধানে, ২০১৬ সালে ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ রানে। ২০২১ সালে আট উইকেটের বড় জয় তুলে নিয়ে ভারতকে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। এই ধারা অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টাই হয়ত চালাবে মিচেল স্যান্টনারের দল। অন্যদিকে সুরিয়াকুমার যাদব তার দলকে পুরনো সব কিছু ভুলে নতুন উদ্যেমে উজ্জীবিত হওয়ার বার্তাই দিতে চাইবে।

আট তারিখ সন্ধ্যায় আহমেদাবাদের চিত্রটা কি দাঁড়ায়- সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link