ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কাছে হারতে হয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে (কেকেআর)। বোলিং দুর্বলতায় হারা দলটি মুস্তাফিজুর রহমানের অভাবটা মুখে না বললেও মাঠে ঠিকই অনুভব করেছে।
যতই আইপিএলে এখন ব্যাটার রাজত্ব করুক আর যতই রানের ঝড় উঠুক, প্রথম ইনিংসে ২২০ রান করতে পারাকে বেশ শক্তিশালী সংগ্রহ হিসেবেই ধরতে হয়। কিন্তু, ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামের ফ্ল্যাট পিচে কলকাতা হারলো নিজেদের বোলিংয়ের কারণে।
অনাপত্তিপত্র পাননি শ্রীলঙ্কান মাথিশা পাথিরানা, ইঞ্জুরির কারণে ছিটকে গেছেন হারসিত রানাও। সুনীল নারিন, বরুণ চক্রবর্তীর মতো স্পিনার থাকলেও আজিঙ্কা রাহানের দল হেরেছে নিজেদের পেস আক্রমণের দুর্বলতার কারণে।

ফ্ল্যাট পিচে তাড়া করতে নেমে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাই কেকেআরের দুর্বল বোলিং লাইনআপের বিরুদ্ধে হাত খুলে ব্যাট চালিয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়ার দল জিতে গেছে তেমন কোনো চাপ মাথায় না নিয়েই। রোহিত শর্মা আর রায়ান রিকেলটনকে নিয়ে গড়া মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ওপেনিং জুটিই ম্যাচ শেষ করে দিয়েছে।
এখানেই চলে আসেন কাটার মাস্টার। নিলামে ৯.২০ কোটি রূপির বিশাল মূল্য দিয়ে তাকে দলে ভিড়িয়েছিল কলকাতা। কিন্তু, উগ্রপন্থীদের হুমকির মুখে শেষ পর্যন্ত তাকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়। সেই জায়গা নেন ব্লেসিং মুজারাবানি। মুস্তাফিজের জায়গায় খেলা মুজারাবানি কাজের কাজটি, অর্থাৎ উইকেট এনে দেওয়ার কাজটি করতে পারেননি।
কিন্তু, মুস্তাফিজ যদি থাকতেন তবে হয়তো এমন দিন দেখা লাগতো না। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট ফেলার দক্ষতা কিংবা নিয়ন্ত্রিত বোলিং, মুস্তাফিজের এই শক্তির ব্যবহার দেখা গেল না। আইপিএলে বহু আগে থেকেই পরীক্ষিত এ পেসার জাত চেনানোর সুযোগ পেলেন না। কলকাতা যখন হারছিলো, দর্শকেরা নিশ্চয়ই মুস্তাফিজের কথা ভেবে আফসোস করছিলো।











