লিটনের মায়াবী ব্যাটের জাদু!

লিটন দাস যখন ব্যাটিং করেন, সবকিছু সহজ হয়ে যায়, সুন্দর হতে বাধ্য হয়। চোখের আরাম বলে যা বোঝায়, একেবারেই তাই। অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে যেন ৬৫ রানের এক অপার্থিব সৌন্দর্যের ইতিকথা শুনিয়ে গেলেন লিটন।

লিটন দাস যখন ব্যাটিং করেন, সবকিছু সহজ হয়ে যায়, সুন্দর হতে বাধ্য হয়। চোখের আরাম বলে যা বোঝায়, একেবারেই তাই। অদম্য টি-টোয়েন্টি কাপে যেন ৬৫ রানের এক অপার্থিব সৌন্দর্যের ইতিকথা শুনিয়ে গেলেন লিটন।

ধুমকেতু একাদশের অধিনায়ক। জাতীয় দলটায় পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন কাঁধে। বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নের জলাঞ্জলি দিয়ে দেশের মাটিতেই থাকতে হয়েছে। আক্ষেপ যে কম নয়। সেই আক্ষেপের সুর শোনা গেল ব্যাটে। দুঃখ পেলে সৃষ্টিশীলতা ফিরে আসে। লিটনও সেই আক্ষেপের মাঝে দাঁড়িয়ে খেলে গেলেন এক অনবদ্য ইনিংস।

ধুমকেতুর প্রথম উইকেট যখন পড়ল, দলীয় রান তখন ৩৪। লিটন গুটি গুটি পায়ে ক্রিজে এলেন। চারপাশ দেখে নিয়ে নিজের সেই চেনা সুরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্যাটিং করে গেলেন। মারার বলটাকে দৃষ্টি কেড়ে নেওয়া মোহনীয় শটে সীমানার বাইরে পাঠালেন। আবার এক-দুই রান নিয়ে দলের ওপর থাকা সমস্ত চাপ ঝেড়ে ফেললেন।

ফিফটি এলো, ব্যাট উঁচিয়ে ধরলেন। লিটন তবুও অবিচল। দলের জয় নিশ্চিত করতে হবে যে তাকেই। তিনি যে দলনেতা। ব্যক্তিগত খাতায় সাফল্য এলেই তো আর দায়িত্ব শেষ হয় না। উইনিং শটটা তাই তিনিই হাঁকালেন। দলকে জয় এনে দিলেন।

ততক্ষণে যে নামের পাশে হার না মানা ৬৫ রানের গল্পকথা লেখা হয়ে গেছে। ১৫১ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করেছেন পুরোটা সময়। সুন্দর অথচ এক ভয়ংকর সে ইনিংস। এই তো চেনা লিটন, ক্লাসিক লিটন। এমন কত সন্ধ্যাতেই তো মায়াবী জাদুবলে সবাইকে বুদ করে রেখেছেন লিটন। আজও তেমনই এক দিন কাটালেন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link