গ্লেন ‘দ্য বিগ শো’ ম্যাক্সওয়েল। বড় মঞ্চে বড় দলের বিপক্ষে যখনই অস্ট্রেলিয়ার একটা ঝড়ের প্রয়োজন পড়ে, টর্নেডো হয়ে বাইশ গজে হাজির হন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। চির প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডও যেন ‘দ্য ম্যাক্সি শো’ এর স্বাদ পেলো আরও একবার।
পাকিস্তানের রানপ্রসবা উইকেট গুলোতেও শেষ দিকে ব্যাটাররা রান তুলতে হিমশিম খাচ্ছে। উইকেটে এসেই ব্যাট হাতে ঝড় তোলা যাচ্ছে না। গত দুই ম্যাচেই ধরা পড়েছে এমন চিত্র। দক্ষিন আফ্রিকা, আফগানিস্তানের বিপক্ষে করেছে ৩১৫ রান।
কিন্তু, শেষ দশ ওভারে এসেছে মাত্র ৮৫ রান। অথচ উইকেটে ছিলেন মিলার, ইয়ানসেন, মার্করামরা। ইংল্যান্ড এই ম্যাচেই ৩৫১ রান করলেও, শেষ দশ ওভারে রান এসেছে মাত্র ৮৩! মোটাদাগে ব্যর্থ হয়েছেন বাটলার কিংবা লিভিংস্টোনরা।

কিন্তু ম্যাক্সি এসব শুনবেন কেন? হিসাব নিকেশের এত বড় মন্ত্রের তার মস্তিষ্কে যায়গা কোথায়? ম্যাক্সওয়েলের মন্ত্র বড় সহজ, চামড়ার ওই বলটা তৈরিই হয়েছে মারার জন্য। প্রতিটা বল পাঠাতে হবে মাঠের বাইরে, যে কোন পরিস্থিতিতে, মাঠের যে কোন প্রান্ত থেকে।
১৫ বলে ৩২ রান। চারটি চারের সাথে দুইটা ছক্কা। অ্যালেক্স ক্যারির উইকেটের পর জশ ইংলিশের উপরে যদি কোন চাপ এসেও থাকে, ম্যাক্সি সেই চাপ উড়িয়ে দিয়েছেন এক লহমায়। এই ছোট ইনিংসেই নিশ্চিত হয়েছে ইংলিশের চাপহীন সেঞ্চুরি, নিশ্চিত হয়েছে অজিদের চাপহীন জয়।
প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান কিংবা ইংল্যান্ড, ম্যাক্সওয়েলের ব্যাট আক্রমন চালায় সমান হারে। আর ম্যাক্সওয়েলেওদের এমন পারফরম্যান্সই বিশ্ব আসরে আনকোরা দল নিয়ে এসেও অস্ট্রেলিয়াকে করে তোলা টুর্নামেন্ট ফেবারিট। এ যে বিশ্বজয়ী অস্ট্রেলিয়া, গ্লেন ম্যাক্সওয়েলদের অস্ট্রেলিয়া।











