মেসি দেখালেন বুড়ো হাড়ের ভেলকি

ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন আটলান্টার ফাফা পিকো। তবে তাতে হার এড়ানো সম্ভব হয়নি স্বাগতিকদের। এই জোড়া গোলে চলতি এমএলএস মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫-এ। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের চেয়ে ছয় গোল এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

বয়সের ছাপ যেন কিছুতেই ছুঁতেই পারছে না লিওনেল মেসিকে। বল পায়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভেঙে গোল করা, ডিফেন্ডারদের বোকা বানানো, সবই চলছে চেনা ছন্দে। তাঁর জোড়া গোলে মেজর লিগ সকারে আটলান্টা ইউনাইটেডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়েছে ইন্টার মায়ামি।

আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে ম্যাচের বিরতির ঠিক আগে মেক্সিকান স্ট্রাইকার জার্মান বেরতেরামের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের সব আলো কেড়ে নেন মেসি। ৫৬ মিনিটে বেরতেরামের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়ার পর এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে নিচু শটে গোল করেন তিনি। চার মিনিট পর লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে প্রায় একই কায়দায় নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আর্জেন্টাইন তারকা।

ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে একটি গোল শোধ করেন আটলান্টার ফাফা পিকো। তবে তাতে হার এড়ানো সম্ভব হয়নি স্বাগতিকদের। এই জোড়া গোলে চলতি এমএলএস মৌসুমে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫-এ। লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে দ্বিতীয় স্থানে থাকা খেলোয়াড়ের চেয়ে ছয় গোল এগিয়ে রয়েছেন তিনি।

মেসির জন্য ম্যাচটি ছিল আরেকটি কারণে ছিল বিশেষ। ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পর এই প্রথম মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে খেলতে নামেন তিনি। গত জুলাইয়ে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ম্যাচে তাঁর দুটি অ্যাসিস্টে ২-১ গোলে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এদিকে, ইস্টার্ন কনফারেন্সে ৫৫ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্টার মায়ামি।

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে মেসির জাদু দেখার সুযোগ থাকছে সমর্থকদের। আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁকে আর না দেখার আক্ষেপ থাকলেও ইন্টার মায়ামির হয়ে তাঁর এমন পারফরম্যান্স দর্শকদের স্বস্তি দিচ্ছে। জাতীয় দলের অধ্যায় শেষ হলেও ফুটবল মাঠে মেসির গল্পটা যে এখনো ফুরিয়ে যায়নি, সেটাই যেন বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

আল ওয়াসি তালুকদার

প্রথম প্রেম, শেষ প্রেম, মাঝখানে যত প্রেম, সবই বোধহয় ক্রিকেটকে ঘিরে! দেশের ঘুণেধরা ফুটবলের প্রতিও মায়াটা নেহাত কম নয়। সাংবাদিকতার অ-আ-ক-খ শিখতে এখনও বহু পথ বাকি, তাই সাংবাদিক পরিচয়ে সংকোচের অন্ত নেই। টুকটাক শব্দের চাষ করি, সেই ফসলই ঠাঁই পায় আমার নতুন ঠিকানা, খেলা ৭১-এ। স্বপ্নের অন্বেষণে রত এক নগণ্য কলমশ্রমিক আমি।

জন্ম বরিশাল সদরে, পৈতৃক শিকড় উজিরপুরে। বেড়ে ওঠা, মাধ্যমিক, উচ্চ-মাধ্যমিকের পাঠ চুকেছে পিরোজপুরের নেছারাবাদে। বর্তমানে স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশে সাংবাদিকতা বিভাগে স্নাতক (সম্মান) অধ্যয়নরত।

Share via
Copy link