লুইস দিয়াজের জাদুকরী হ্যাটট্রিকে আরবি লাইপ্তসিশকে ৬-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরু থেকেই গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠা স্বাগতিক বায়ার্ন শেষ পর্যন্ত একতরফা আধিপত্য দেখিয়ে ম্যাচটি নিজেদের করে নেয়। আর এই মহাকাব্যিক জয়ের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন লুইস দিয়াজ, যিনি দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক উপহার দিয়ে স্টেডিয়ামের হাজার হাজার দর্শককে মাতিয়ে রাখেন।
ম্যাচের প্রথম বাঁশি বাজার পর থেকেই বায়ার্নের আক্রমণভাগের গতি সামলাতে হিমশিম খেতে হয় লাইপ্তসিশের রক্ষণভাগকে। খেলার দ্বাদশ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে জশুয়া কিমিচের বাড়ানো একটি নিখুঁত থ্রু বল ধরে ডি-বক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন লুইস দিয়াজ।
ডান পায়ের দারুণ ও জোরালো শটে বল সরাসরি গোলপোস্টে পাঠিয়ে বায়ার্নকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন তিনি, যা ম্যাচের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করে দেয়। এরপর বায়ার্নের মিডফিল্ড প্রেসিং এবং উইং ওভারলোডিংয়ের কৌশল লাইপ্তসিশকে কোণঠাসা করে ফেলে এবং বিরতিতে যাওয়ার আগেই স্বাগতিকরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে যায়।

প্রথমার্ধের আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে দ্বিতীয়ার্ধেও একই আক্রমণাত্মক মানসিকতা বজায় রাখে বায়ার্ন। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে হ্যারি কেনের চমৎকার অ্যাসিস্ট থেকে বল পেয়ে যান দিয়াজ।
বক্সের বাম দিক থেকে নিখুঁত ডান পায়ের শটে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে আবারও পরাস্ত করে তিনি নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি আদায় করে নেন। এরপর ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে কর্নার কিক থেকে উড়ে আসা বল বক্সের বাইরে নাগালে পান এই কলম্বিয়ান তারকা।
মাইকেল ওলিসের অ্যাসিস্টে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তাঁর দুর্দান্ত শটটি জালে আশ্রয় নেয়। যা তাঁর ব্যক্তিগত হ্যাটট্রিক পূর্ণ করার পাশাপাশি বায়ার্নের ৬-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে।

দিয়াজের এই চোখ জুড়ানো হ্যাটট্রিক এবং পুরো দলের ট্যাকটিকাল আধিপত্য প্রমাণ করে দিয়েছে যে চলতি মৌসুমে বুন্দেসলিগার শিরোপা দৌড়ে বায়ার্ন মিউনিখ কতটা অপ্রতিরোধ্য ও ভয়ঙ্কর রূপে রয়েছে। এই বিশাল জয় কেবল পয়েন্ট টেবিলেই তাদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করেনি, বরং ইউরোপের ফুটবলে তাদের সেরা ফর্মেরও এক জোরালো বার্তা দিচ্ছে।











