গোল্ডেন বুটের দৌঁড়ে মেসি-এমবাপ্পের দ্বৈরথ

২০২৬ বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে এখন সমান ছয় গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপ যত এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে গোল্ডেন বুটের লড়াই। ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপ্পে এখন সমান ছয় গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে অবস্থান করছেন।

তাই ব্যক্তিগত কীর্তির পাশাপাশি এই প্রতিযোগিতা হয়ে উঠেছে টুর্নামেন্টের অন্যতম বড় আকর্ষণ।

সুইডেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোতে ৩-০ ব্যবধানে ফ্রান্সের জয়ে জোড়া গোল করেন এমবাপ্পে। তাতে তিনটি বিশ্বকাপে তাঁর মোট গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮, যা পুরুষদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে নকআউট পর্বে তাঁর গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০। যা পর্যায়টির নতুন রেকর্ড।

অন্যদিকে, জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ গ্রুপ ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমেই ৮০ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে  টুর্নামেন্টে নিজের ষষ্ঠ গোল করেন মেসি। টানা সাত বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে গড়েছেন নতুন নজিরও তিনি। বিশ্বকাপে তাঁর ক্যারিয়ার গোল এখন ১৯, যা নারী-পুরুষ মিলিয়ে সর্বোচ্চ।

বুকমেকারদের সর্বশেষ সম্ভাব্যতায় গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে এমবাপ্পে সামান্য এগিয়ে থাকলেও মেসি রয়েছেন খুব কাছেই। এই লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই নরওয়ের আর্লিং হলান্ডও। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে জয়সূচক গোল করে তিনি টুর্নামেন্টে নিজের গোলসংখ্যা পাঁচে তুলেছেন। শেষ ষোলোতে ব্রাজিলের বিপক্ষে তাঁর সামনে থাকছে ব্যবধান ঘোচানোর সুযোগ।

এদিকে উসমান দেম্বেলে ও ভিনিসিয়াস জুনিয়রের ঝুলিতে রয়েছে চারটি করে গোল। হ্যারি কেইন, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লামিনে ইয়ামাল, জনাথন ডেভিড ও মিকেল ওইয়ারসাবালের মতো তারকারা এখনও দৌঁড়ে থাকলেও আলো এখন মূলত মেসি ও এমবাপ্পের দিকেই। বিশ্বকাপের বাকি পথজুড়ে এই দুই ফুটবলারের গোলযুদ্ধই হয়তো নির্ধারণ করবে, শেষ পর্যন্ত সোনালি বুট কার পায়ে শোভা পাবে।

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link