এই দৃশ্যের জন্য মিরপুর প্রস্তুত ছিল না

এমন একটা দৃশ্যের জন্য দর্শকরা প্রস্তুত ছিল না। আম্পায়ার আঙুল না তুললেও সাজঘরে ফিরলেন আব্দুল সামাদ। স্পোর্টসম্যানশিপ নিয়ে হাজারো আলোচনার সিরিজে ক্রিকেট স্পিরিটের অনন্য এক নজীর গড়লেন পাকিস্তানের এই ব্যাটার।

এমন একটা দৃশ্যের জন্য দর্শকরা প্রস্তুত ছিল না। আম্পায়ার আঙুল না তুললেও সাজঘরে ফিরলেন আব্দুল সামাদ। স্পোর্টসম্যানশিপ নিয়ে হাজারো আলোচনার সিরিজে ক্রিকেট স্পিরিটের অনন্য এক নজীর গড়লেন পাকিস্তানের এই ব্যাটার। একই সাথে বাংলাদেশের গলায় আটকে থাকা কাঁটাও তুলে ফেলতে পারলেন মুস্তাফিজ।

ম্যাচের ১৮ তম ওভার। বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর রহমান বল করলেন আব্দুল সামাদের দিকে। লাইনটা ছিল ঠিকঠাক, ঘণ্টায় ১৩২ কিলোমিটার গতির বল।

একটু নিচু হয়ে এল।  সামাদ ব্যাট তোলেন স্রেফ ডিফেন্ড করার জন্য। কিন্তু ভাগ্যটা তার পাশে ছিল না। ব্যাটে এজ, আর আম্পায়ার কিছুটা সময় নিলেন।

সামাদ আঙুল তোলার জন্য অপেক্ষা করলেন না, তাঁর আগেই সাজঘরের পথে হাঁটা শুরু করলেন। তাঁর চলে যাওয়ার পথেই আঙুল তুললেন আম্পায়ার কুমার ধর্মসেনা।

সামাদ প্রতিরক্ষার লড়াইয়ে মন্দ দিলেন না। ৪৫ বল খেলে করেন ৩৪ রান। বাউন্ডারি হাঁকান পাঁচটি। কিন্তু, মুস্তাফিজের বল জাজমেন্টে ভুল করে তিনি বাংলাদেশের বিপদ বাড়ালেন। তাই, ফিরে সামাদের ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত যতই সাহসী হোক না কেন, পাকিস্তানের বিপদে বাড়িয়ে দিলেন ফিজ।

Share via
Copy link