বেল আগে ফেলেও নাঈমকে রানআউট করলেন মিঠুন

বল আসার আগেই বেল ফেলে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। তবুও আউট দিলের তৃতীয় আম্পায়ার পাকিস্তানি আসিফ ইয়াকুব। কিন্তু কেন?

বল আসার আগেই বেল ফেলে দিয়েছিলেন মোহাম্মদ মিঠুন। তবুও আউট দিলের তৃতীয় আম্পায়ার পাকিস্তানি আসিফ ইয়াকুব। কিন্তু কেন? মোহাম্মদ নাঈম শেখও অনফিল্ড আম্পায়ার গাজী সোহেলের কাছে জানতে চেয়েছেন এর কারণ।

ঘটনাটি ঘটে ইনিংসের অষ্টম ওভারে। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের চতুর্থ বলে নাঈম শেখ বল ঠেলে দেন ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কোয়ার লেগের দিকে। সেখান থেকে মারুফ মৃধা বল থ্রো করেন, নাঈম শেখ দুই রানের জন্য দৌড়াচ্ছেন তখন। কিন্তু বল ধরার জন্য ঢাকা ক্যাপিটালসের উইকেটরক্ষক মিঠুন হাত বাড়ানোর সময় তার দস্তানার স্পর্শে স্ট্যাম্প থেকে একটি বেল পড়ে যায়।

নাঈম তখনও ক্রিজ থেকে অনেকটাই দূরে। স্ট্যাম্পের উপর থেকে একটি বেল পড়ে গেলেও আরেকটি বেল ঠিকই ছিল স্বস্থানে। সেই বেলই উপড়ে ফেলেন মিঠুন বল দস্তানায় বন্দী করে। তরুণ মারুফ হতাশায় বসে পড়েন মাঠে। রানআউট মিস হয়ে গেছে, তিনিও তাই মনে করেছিলেন।

মিঠুনও ছিলেন সংশয়ে। সংশয় দূর করতে মিঠুন এগিয়ে যান লেগ আম্পায়ার গাজী সোহেলের দিকে। জানতে চান এক্ষেত্রে নিয়মটা কি? গাজী সোহেল জানান, আইসিসির আইন অনুযায়ী একটি বেলও যদি স্ট্যাম্পের উপরে অক্ষত থাকে বা পড়ে না গিয়ে থাকে- তবে ওই একট বেল উপড়ে ফেললেও আউট হবেন ব্যাটার।

এমসিসির রুলবুকে, ২৯.৩ নম্বর নিয়মে স্পষ্ট করে বলা আছে, ‘যদি একটি বেল ইতিমধ্যে পড়ে যায়, তাহলে উইকেট ভাঙার উদ্দেশ্যে অবশিষ্ট বেলটি সরিয়ে ফেললেই যথেষ্ট হবে’। অর্থাৎ এক্ষেত্রে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। এমনকি এই আউটকে তাই বিতর্কিত করারও সুযোগ নেই।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link