রোহিতদের ব্যাটে পাহাড় ডিঙালো মুম্বাই!

২২৯ রানের বড় লক্ষ্য দিলেও নির্ভার থাকা সম্ভব হয়নি লখনৌর পক্ষে।

প্লে-অফের দৌড়ে থাকতে হলে প্রতিটি ম্যাচই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে জিততে হবে বড় ব্যবধানে। নাইলে পিছিয়ে যেতে হবে নেট রানরেটের হিসাবে। লখনৌ সুপার জায়ান্টস বড় সংগ্রহ গড়লেও মুম্বাই হার মানলো না। ব্যাটারদের পরাক্রমে তাড়া করে নিজেদের টিকিয়ে রাখলো কোয়ালিফায়ারে যাওয়ার লড়াইয়ে।

 

আগে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ ওপেনার জস ইংলিশকে হারায় তৃতীয় ওভারে। এরপর ২২ গজে নেমে এবারের আসরে প্রথমবারের মতো তান্ডব চালান নিকোলাস পুরান। ২১ বলে করেন ৬৩ রানের এক ঝড়ো ইনিংস।

 

ওপেনার মিচেল মার্শের চল্লিশোর্ধ্ব ইনিংসে দলকে নিয়ে গেছে বড় সংগ্রহের দিকে। শেষে এইডেন মার্করাম আর হিম্মাত সিংয়ের ব্যাটে ভর করে লখনৌ স্কোরবোর্ডে জমা করে ২২৮ রানের বড় সংগ্রহ।

২২৯ রানের বড় লক্ষ্য দিলেও নির্ভার থাকা সম্ভব হয়নি লখনৌর পক্ষে। তাঁদের রাতের ঘুম যেন কেড়ে নেন মুম্বাইয়ের দুই ওপেনার রায়ান রিকেলটন আর রোহিত শর্মা। দুজনের ব্যাটিং ঝড়ই লখনৌকে ম্যাচ থেকে বাইরে নিয়ে গেছে।

 

রিকেলটন ৮৩ রান করে ফিরলে ভাঙে ১৪৮ রানের বিশাল জুটি। আরও কিছু সময় ক্রিজে থেকে রোহিত যখন ৮৪ করে সাজঘরের দিকে হাঁটা শুরু করেন ততক্ষণে জয়ের আনন্দ শুরু হয়ে গেছে মুম্বাইয়ের ছাউনিতে। শেষ পর্যন্ত আট বল হাতে রেখেই লক্ষ্য স্পর্শ করে মুম্বাই।

 

একসময় ২২৯ রানের লক্ষ্য সামনে পেলে ভেঙে পড়তো তাড়া করতে নামা দলগুলো। কিন্তু, ক্রিকেট বিবর্তনের যুগে সেই ভয় আর নেই। বিশাল টার্গেটটা তো ডিঙিয়ে দিলেন কেবল দুই ওপেনার মিলেই। শেষ চারের জন্য টিকে থাকার ম্যাচে মুম্বাই পেল ছয় উইকেটের জয়।

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link