ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে তাতিয়ে দিতে নেই!

রোনালদোকে তাই তাতিয়ে দিতে নেই। এক ম্যাচ দেখে রোনালদোকে বিচার করাটা সমালোচকদের সবচেয়ে বড় ভুল।

পণ করেই এসেছিলেন, আজকে গোল করবেন। সমালোচনার আগুনে ঢেলে দেবেন জমানো সবটুকু জল। এরপর দিলেন টিপিক্যাল সিআর সেভেন সেলিব্রেশন। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে গোল করে বিশ্বকে জানিয়ে দিলেন, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ফুরিয়ে যাননি।

প্রত্যাশার পাহাড় জমা পড়েছিল তাঁর ওপর। এরও আগে জেগেছিল কিছু প্রশ্ন। ৪১ বছরের বুড়ো রোনালদো কী জন্য এসেছেন বিশ্বমঞ্চে? বিশ্বকাপ জিততে নাকি নিজের অস্তিত্বের জানান দিতে।

প্রথম ম্যাচে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে খুঁজেই পাননি নিজেকে। চারদিকে কানাঘুষা হয়েছে, একে দিয়ে হবে না, এই রোনালদো শেষ, একেবারেই ফিনিশড।

সহ্য করেছেন চুপিচুপি। লিওনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপ্পেরা গোল করেছেন। রোনালদো দেখে হয়তো ঈর্ষান্বিতই হয়েছেন। ‘ওরা পারলে আমি কেন নয়? আমি তো সাধারণ কেউ নই।’

ষষ্ঠ মিনিটের মাথায় সুযোগটা এলো। জোয়াও কনসালোর ক্রস থেকে নিখুঁত ফিনিশিং, পুরো স্টেডিয়ামে আছড়ে পড়ল ‘রোনালদো’ শব্দটার ঢেউ। বুড়ো ঘোড়া গোল করেছে, সমালোচনাকে আরও একবার বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রমাণ করেছে, এক ম্যাচ দিয়ে তাঁকে বিচার করা ঘোরতর অপরাধ।

রোনালদো গোল করবেন, আর রেকর্ড হবে না তাই কি হয়? ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে আলাদা ছয় বিশ্বকাপে গোল করার কীর্তি গড়লেন। রোনালদোকে তাই তাতিয়ে দিতে নেই। এক ম্যাচ দেখে রোনালদোকে বিচার করাটা সমালোচকদের সবচেয়ে বড় ভুল।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link