শাদাব খান ও পাকিস্তান, দ্য নিউ স্টার্ট

বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ঘিরে প্রত্যাশা ছিল অনেক, শিরোপা না জিতলেও অন্তত সেমিফাইনাল খেলবে তাঁরা এমনটাই ছিল সবার আশা। কিন্তু সেই স্বপ্ন বাস্তব হয়নি; গ্রুপ পর্ব থেকেই ছিটকে গিয়েছিল দলটি। আর এই ব্যর্থতার দায় মেনে নিয়ে অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বাবর আজম, বিশ্বকাপ শেষ হতেই এই সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন তিনি।

এবার সেই ব্যাপারে মুখ খুললেন তাঁর সাবেক ডেপুটি শাদাব খান। জাতীয় দলের সব ফরম্যাট থেকে পদত্যাগ করার যে সিদ্ধান্ত বাবর নিয়েছেন সেটি নিয়ে তাঁর ভাবনা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘দেখুন সবার নিজস্ব সিদ্ধান্ত আছে, আর বাবর তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দেই পদত্যাগ করেছেন। তাঁর জন্য আমাদের হৃদয়ের গভীর থেকে শুভেচ্ছা রইলো।’

এছাড়া সাদা বলের নতুন অধিনায়ক শাহীন শাহ আফ্রিদির ব্যাপারে ইতিবাচক প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এই লেগ স্পিনার। তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে আমরা বাবরের সঙ্গে দারুণ সময় কাটিয়েছি। এখন শাহীন দায়িত্ব নিয়েছে, এবং আমরা এটি নিয়ে রোমাঞ্চিত। আমরা পিএসএলে তাঁর অধিনায়কত্বের গুণ দেখেছি এবং এটা দারুণ লাগছে।’

আপাতত নতুন শুরুর অপেক্ষায় আছেন এই ডানহাতি। তিনি বলেন, ‘দেখা যাক প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের অধিনায়কত্বে সে কেমন পারফর্ম করে; এটা কতটা ভাল অভিজ্ঞতা হবে সেটা তখন বোঝা যাবে। অবশ্য আমি শাহীনের নেতৃত্বে খেলতে পেরে খুবই খুশি।’

১৫ই নভেম্বর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান জাকা আশরাফের সাথে বৈঠকের পর বাবর আজম অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। এরপর শান মাসুদকে পাকিস্তান টেস্ট দলের অধিনায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয় এবং শাহীন শাহ আফ্রিদিকে পিসিবি টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডেতে দায়িত্ব দেয়।

আগামী সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ দিয়ে যাত্রা শুরু হবে শান মাসুদের। অন্যদিকে, জানুয়ারিতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অধিনায়ক হিসেবে অভিষেক হবে শাহীনের।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link