স্টেডিয়ামের আলো থাকবে। থাকবে ব্যাট-প্যাডের ঠোকাঠুকি। থাকবে বাউন্ডারির গর্জন, উইকেট পতনের আনন্দধ্বনি। কিন্তু থাকবে না চিয়ার লিডারদের নাচ। থাকবে না হাই ভলিউম ডিজে বাজিয়ে গানের উৎসব।
ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবার হয়তো বুঝে ফেলেছে — সব সময়ের বিনোদন একরকম হয় না। সব আবহই উৎসব চায় না।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) তাই তার বাদবাকি অংশে অনেকটাই রং হারাতে চলেছে। এর সাথে শীর্ষস্থানীয় অনেক বিদেশিকেই দেখা যাবে না। তাই, আইপিএল তাঁর চিরকালীন আবেদন হারাবে।

শীর্ষ স্থানীয় ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে ভিন্নরকমের এক আইপিএলের রূপরেখা প্রকাশ করেছে বোর্ডের বরাত দিয়ে। বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া (বিসিসিআই) মনে করছে, ভারতে এখন উৎসব করা মানায় না। বিশেষ করে কেবলই একটা সীমান্ত সংঘাত থেকে উঠে এসেছে ভারত। সেখানে ক্রিকেটের আয়োজনও তাই এবার হবে রয়েসয়ে।
বোর্ডকে এমন প্রেসক্রিপশন দিয়েছেন সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক সুনীল গাভাস্কার। তিনি মনে করেন, দেশজুড়ে যখন স্বজন হারানোর বেদনা – তখন আইপিএলে বাড়তি আয়োজনের বাড়াবাড়ি, নাচ-গান না থাকাই ভাল।

তাই, বিসিসিআই জানিয়েছে বাকি ১৭ টি ম্যাচ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অতিরিক্ত বিনোদনের যাবতীয় আয়োজন। চিয়ার লিডার নয়, ডিজে নয়—শুধু মাঠে বল আর ব্যাটের লড়াই। সাথে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা তো রয়েছেই। সব মিলিয়ে আইপিএলের বাকি অংশ নিয়ে একটু অস্বস্তিতেই আছে ভারত।










