ক্যারিবীয়দের হারিয়ে স্বস্তির হাসিতে সিরিজ শেষ করল পাকিস্তান!

পাকিস্তান যখন টানা হারের চাপে, তখন দরকার ছিল একটি জোরালো প্রত্যাবর্তন। পোর্ট অব স্পেনে সেটাই করে দেখাল বাবর আজমের দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি পাকিস্তান, দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও ১-১ সমতায় শেষ করেছে।

পাকিস্তান যখন টানা হারের চাপে, তখন দরকার ছিল একটি জোরালো প্রত্যাবর্তন। পোর্ট অব স্পেনে সেটাই করে দেখাল বাবর আজমের দল। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৮ উইকেটে হারিয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি পাকিস্তান, দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজও ১-১ সমতায় শেষ করেছে।

প্রথম ইনিংসে ৪৩ রানের লিড নেওয়ার পর পাকিস্তানের স্পিনাররা ম্যাচের মোড় পুরোপুরি ঘুরিয়ে দেন। চতুর্থ দিনের শুরুতে ৬ উইকেটে ১০৩ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ আর মাত্র ১৪ রান যোগ করতেই গুটিয়ে যায় ১১৭ রানে। সাজিদ খান ও আলী উসমান চারটি করে উইকেট নিয়ে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেন।

জয়ের জন্য ৭৫ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই ওপেনার দ্রুত ফিরলেও এরপর আর কোনো সুযোগ দেয়নি পাকিস্তান। আবদুল্লাহ শফিক ও বাবর আজম ৩৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে পৌঁছে দেন জয়ের বন্দরে। শেষ মুহূর্তে জোমেল ওয়ারিক্যানকে টানা দুই ছক্কা হাঁকিয়ে বাবরই নিশ্চিত করেন জয়। বাবর ও শফিক দুজনই অপরাজিত থাকেন ২৪ রানে।

এই জয়ে পাকিস্তানের টানা চার টেস্ট হারের ধারাও থামল। একই সঙ্গে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর এটিই তাদের প্রথম বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয়। বাবর আজমের অধিনায়কত্বেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য, কারণ টানা ব্যর্থতার পর দলকে আবার জয়ের পথে ফেরালেন তিনি।

ম্যাচসেরা হয়েছেন আবদুল্লাহ শফিক। আর সিরিজসেরা নির্বাচিত হয়েছেন যৌথভাবে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের জাস্টিন গ্রিভস। প্রথম টেস্টে ৯০ রানে হারের পর দ্বিতীয় টেস্ট জিতে সিরিজ সমতায় শেষ করায় স্বস্তির হাসি নিয়েই ক্যারিবিয়ান সফর শেষ করল পাকিস্তান।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link