জার্মানিকে বাড়ি পাঠাল প্যারাগুয়ে!

টাইব্রেকারে গড়াল ম্যাচ, সেখানেই লেখা হলো জার্মানির বিদায়। নাটকীয়তা আর শ্বাসরোধকর ম্যাচে চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রুখে দিল প্যারাগুয়ে। পেনাল্টি শুটআউট জিতে নিল ৪-৩ গোলের ব্যবধানে।

টাইব্রেকারে গড়াল ম্যাচ, সেখানেই লেখা হলো জার্মানির বিদায়। নাটকীয়তা আর শ্বাসরোধকর ম্যাচে চার বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের রুখে দিল প্যারাগুয়ে। পেনাল্টি শুটআউট জিতে নিল ৪-৩ গোলের ব্যবধানে। সেই সঙ্গে শেষ ষোলোর টিকিটও উঠল তাদেরই হাতে।

ডালাসে জার্মানি কিছুটা এলোমেলো শুরু করে। বড় দলের তকমা গায়ে আঁটা থাকলেও কাজে প্রমাণ মেলেনি। বরং প্যারাগুয়ে আধিপত্য বিস্তার করেছে, আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলেছে। ফলস্বরূপ ৪২ মিনিটের মাথায় লিড নেয় প্যারাগুয়ে।

বিরতির পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে জার্মানি। তারই ফল আসে ৫৪ মিনিটে। প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে নেন কাই হাভার্টজ। সমতায় ফেরার পর একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও জয়ের গোল আর পাওয়া হয়নি জার্মানির।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ম্যাচের মোড় ঘুরে যাচ্ছে বলেই মনে হয়েছিল। ১০২ মিনিটে জোনাথন টাহের হেডে বল জালে জড়ালেও ভিএআরের হস্তক্ষেপে গোলটি বাতিল করেন রেফারি। পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ফাউলের কারণে দীর্ঘ পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত বদলে যায়, ফলে উৎসবের মাঝেই হতাশায় ডুবে যায় জার্মানি।

বাকি সময়েও দুই দল মরিয়া চেষ্টা চালালেও আর কোনো গোল হয়নি। ১২০ মিনিট শেষে স্কোরলাইন থাকে ১–১। ফলে বিশ্বকাপের এই হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ভাগ্য নির্ধারণের জন্য ম্যাচ গড়িয়েছে টাইব্রেকারে।

সেখানেই চমক আসে আরও একবার। কাই হাভার্টজের নেওয়া শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে অসামান্য দক্ষতায় আটকে দেন প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক। জার্মানির নেওয়া চতুর্থ শটও একইভাবে রুখে দেন অরলান্ডো গিল। তবে প্যারাগুয়েও ভুল করে, একটা শট বাইরে দিয়ে চলে যায়, আরেকটা অভিজ্ঞ ম্যানুয়েল নয়ার আটকে দেন।

ফলে পেনাল্টি শুটআউট আরও দীর্ঘ হয়। সেখানেও অবশ্য নায়ক বনে যান গিল। ষষ্ঠ শটটা রুখে দেন তিনি। অন্যদিকে প্যারাগুয়ের জস ক্যানেল আর কোনো ভুল করেননি। জালে জড়ায় বল, তাতেই বিদায় ঘটে জার্মানির। অবিশ্বাস্য প্যারাগুয়ে ইতিহাস লেখে, প্রবেশ করে শেষ ষোলোতে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link