ফিল সল্ট যেন মানুষ নয়, বাজপাখি!

অবিশ্বাস্য, অসম্ভব, অবাস্তব, আর কত শব্দে ফিল সল্টের এই ক্যাচটাকে বর্ণনা করা যায়? ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচেই যেন আসরের সেরা ক্যাচ পাওয়া হয়ে গেল। ক্যাচ অব দ্য টুর্নামেন্ট এটা না হলে সল্টের প্রতি অবিচারই হবে।

অবিশ্বাস্য, অসম্ভব, অবাস্তব, আর কত শব্দে ফিল সল্টের এই ক্যাচটাকে বর্ণনা করা যায়? ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচেই যেন আসরের সেরা ক্যাচ পাওয়া হয়ে গেল। ক্যাচ অব দ্য টুর্নামেন্ট এটা না হলে সল্টের প্রতি অবিচারই হবে।

ইশান কিষাণ রীতিমতো উড়ছে তখন। কোন বোলারের ক্ষমতা যেন নেই, কিষাণের ব্যাটের লাগাম টানার। তবে থামাতে তো হবেই, নইলে বিপদ। এটা জানতেন সবাই, তবে থামানোর কাজটা করবে কে?

ফিল সল্ট দায়িত্ব বুঝে নিলেন। চাতক পাখির মতো একটা সুযোগের অপেক্ষায় বসে রইলেন বোধহয়। মনের কোনে প্রার্থনা একটাই, একটা হাফচান্স হলেও যে হয়। সেটা পেয়েও গেলেন। তবে এটাকে হাফ কেন, কোন চ্যান্সই যে বলা যায় না।

তবে বিশেষ মানুষরা তো বিশেষ কিছুই করে। সল্ট স্রেফ সেটাই করলেন। অভিনন্দন সিংয়ের ফুলটস বলটাকে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টের উদ্দেশে স্ল্যাশ করেছিলেন ইশান। একেবারে পিউর টাইমিং, বাউন্ডারি তখন সময়ের অপেক্ষা।

কভার থেকে এক অতন্দ্র প্রহরী বলটার দিকে ধেয়ে এল। তবে কোনভাবেই বলের কাজে যাওয়া সম্ভব নয়। ফিল সল্ট নিজেকে জেট বিমান বানিয়ে ফেললেন। এক লহমায় উড়ে গিয়ে ডান দিকে ঝাপিয়ে পড়ে এক হাতে তালুবন্দি করে ফেললেন। এ যেন কোন কল্পনার বাস্তবে এসে ধরা দিল। ক্যামেরা লেন্স থেকে টিভি সেট, সবখানেই এক বিস্ময়। সবার মনে একটাই কথা, এও কি সম্ভব?

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link