‘পায়ে পা মিলিয়ে’ উদযাপন

কোভিড ১৯-এর কারণে তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। যদিও, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখন ফেরার দুয়ারে। আট জুলাই শুরু হবে ইংল্যান্ড-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ। তবে, ক্রিকেট বিশ্বও এই সিরিজ দিয়ে বদলে যাবে অনেকটাই। ক্রিকেটও পাবে ‘নিউ নর্মাল’-এর ছোঁয়া।

তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে গেল ৮ জুন ইংল্যান্ডে পৌঁছায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল। সেখানে পৌছে দু’সপ্তাহ কোয়ান্টোইনে ছিলো ক্যারিবীয়রা। কোয়ারেন্টাইন শেষে নিজেদের মধ্যে একটি তিনদিনের ম্যাচ শুরু করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ইতোমধ্যে দু’দিন খেলা শেষ হয়েছে।

নিজেদের মধ্যে চলতে থাকা প্রস্তুতি ম্যাচের একটি দলের নাম দেয়া হয়েছে জেসন হোল্ডার একাদশ ও অন্যটি ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট একাদশ।

ম্যাচ চলাকালীন করোনাভাইরাসের কারনে সকল দিক-নিদের্শনা ও নিয়ম-কানুন অনুসরণ করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়রা। তাই লক্ষ্য করা গেছে, ব্যাটসম্যানকে আউট করলে বোলার ও ফিল্ডাররা ‘পা’ দিয়েই আনন্দ উদযাপন করছে। দূর থেকেই দু’জনের দু’টি পা’র গোড়ালিতে মিলাচ্ছেন করছেন তারা।

এমনই উদযাপনের ছবি নিজেদের ফেসবুক পেজে আপলোড করেছে ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো। ক্যাপশন দিয়েছে- ‘যখন আপনি হাত মেলাতে পারছেন না তখন আপনার পায়ের অনুশীলন করুন।’

করোনার আগে বোলার-ফিল্ডাররা দু’হাত উপরে তুলে একত্রে মিলিত করে আনন্দ উদযাপন করতো। তিনদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে ব্র্যাথওয়েট একাদশ দ্বিতীয় দিন শেষে ৭ উইকেট হাতে নিয়ে ১৮১ রানে এগিয়ে। প্রথমে ব্যাট করে ২৭৫ রান করে ব্র্যাথওয়েট একাদশ। জবাবে ১৯৩ রানে অলআউট হয় হোল্ডার একাদশ। এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ৯৯ রান করে ব্র্যাথওয়েট একাদশ।

ম্যাচে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেছেন ব্র্যাথওয়েট। আর বল হাতে একই একাদশের বাঁ-হাতি পেসার রেমন রেইফার ৬০ রানে ৫ উইকেট নিয়েছেন।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

আফগান ঘূর্ণির মায়াজালে ধরাশায়ী হবে মিরাজ-রাজারা?

তবে স্পিনের লড়াইয়ে বাংলাদেশকেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। দুই বছরের ওয়ানডে পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশের স্পিনাররা শিকার করেছেন মোট ৮২টি উইকেট। যদিও চলতি বছরে ১২ ম্যাচে স্পিন থেকে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ২৬ উইকেট, ২০২৫ সালে ১১ ম্যাচে রিশাদ, মিরাজ, তানভীর, নাসুমদের শিকার ছিল ৫৬ উইকেট। গত বছর বাংলাদেশের অধিকাংশ ম্যাচেই স্পিন সহায়ক উইকেট থাকলেও চলতি বছরে দলটি খেলেছে তুলনামূলক স্পোর্টিং উইকেটে। ফলে কন্ডিশনের সহায়তা পেলে বাংলাদেশের স্পিনাররাও যে প্রতিপক্ষের ব্যাটিং লাইনআপে বিপর্যয় নামিয়ে আনতে সক্ষম, তার ইঙ্গিত মিলছে পরিসংখ্যানেই। রিশাদ হোসেনের আক্রমণাত্মক লেগ স্পিন, মেহেদী হাসান মিরাজের নিয়ন্ত্রিত অফ স্পিন, তানভীর ইসলামের বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিনের সঙ্গে নতুন সংযোজন রহস্য স্পিনার আলিস আল ইসলাম। বৈচিত্র্য আর কৌশলের সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে মরণকামড় দিতে মরিয়া থাকবে বাংলাদেশও।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link